বার্সেলোনা: লিওনেল মেসির জোড়া গোলে ভর করে শুক্রবার গেটাফেকে ৫ গোল দিল বার্সেলোনা। ৫-২ গোলে জিতে শীর্ষস্থান দখল করার প্রশ্নে লড়াই জারি রাখল রোনাল্ড কোম্যানের দল। অন্য ম্যাচে হুয়েস্কাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফের এককভাবে শীর্ষে চলে এল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। আপাতত লিগ টেবিলের যা অবস্থান, তাতে এক ম্যাচ কম খেলে অ্যাটলেটিকোর চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে বার্সেলোনা। অর্থাৎ, সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে দিয়েগো সিমোনের দলের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলার পথ খোলা থাকছে মেসিদের কাছে।

এদিন ম্যাচের আট মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন লিও। সার্জিও বুসকেটসের পাস থেকে বার্সেলোনার হয়ে ১-০ করেন আর্জেন্তাইন। তবে বার্সার সেই লিড দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। চার মিনিট বাদেই ক্লিমেন্ট লেংলেটের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় গেটাফে। ২৮ মিনিটে পালটা আত্মঘাতী গোলে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন গেটাফের সোফিয়ান চাকলা। ৩৩ মিনিটে ফের গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন লিও। চলতি লা লিগায় এটি ছিল তাঁর ২৫তম গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৯ মিনিটে রোনাল্ড আরাউজোর সৌজন্যে পেনাল্টি পায় গেটাফে। স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে ম্যাচে ফেরান তুরস্কের স্ট্রাইকার এনেস উনাল। যদিও ৮৭ মিনিটে মেসির কর্নার থেকে গোল করে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেন ঊরুগুয়ে ডিফেন্ডার। ৪-২ এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। এরপর সংযুক্তি সময়ে স্পটকিক থেকে আতোয়াঁ গ্রিজম্যান গোল করে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গেটাফে শিবিরে। জয়ের ফলে ৩১ ম্যাচে বার্সার পয়েন্ট দাঁড়াল ৬৮।

অন্য ম্যাচে হুয়েস্কাকে হারিয়ে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করল অ্যাটলেটিকো। চ্যাম্পিয়নশিপের র‍্যাট-রেসে চব্বিশ ঘন্টা আগে ক্যাদিচকে হারিয়ে সাময়িকভাবে শীর্ষস্থানে চলে এসেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন জয়ের ফলে তিন পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি করে ফের শীর্ষে সিমোনের ছেলেরা। এদিন দুই অর্ধে অ্যাটলেটিকোর হয়ে গোলদু’টি করেন অ্যাঞ্জেল কোরেয়া এবং ইয়ানিক ক্যারাসকো। ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই প্রসঙ্গে সিমোনে বলেন, ‘লিগটা ভীষণ জটিল এই মুহূর্তে। হালকা নেওয়ার কোনও জায়গাই নেই। আমাদের মাথায় ইতিমধ্যেই পরের ম্যাচের ভাবনা ঢুকে পড়েছে।’

এই জয়ে ৩২ ম্যাচ শেষে অ্যাটলেটিকোর ঝুলিতে ৭৩ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের ঝুলিতে ৭০ পয়েন্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.