বার্সেলোনা: এককথায় নু-ক্যাম্পে শনিবারের লড়াইটা ছিল শীর্ষে থাকা বার্সেলোনা বনাম সেকেন্ড বয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের। মেসিদের বিরুদ্ধে জয় পেলে লিগের দৌড়ে বার্সার সঙ্গে ব্যবধানটা অনেকটা কমিয়ে আনতে পারত দিয়েগো সিমিওনের ছেলেরা। কিন্তু সেটা হতে দিলেন লিও মেসি ও লুইস সুয়ারেজ। দুই তারকা ফুটবলারের গোলেই হাইভোল্টেজ ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ২-০ গোলে হারিয়ে লিগ শীর্ষে আরও নিরাপদ স্থানে চলে গেল কাতালান ক্লাব।

লিগ জয়ের প্রশ্নে এদিন বার্সা-অ্যাটলেটিকো ম্যাচের গুরুত্ব ছিল প্রশ্নাতীত। তাই অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও বার্সাকে একেবারেই ছাড়বার পাত্র ছিলেন না গ্রিজম্যানরা। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। মেসির ঠিকানা লেখা পাস থেকে জর্ডি আলবার সহজতম সুযোগ পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ম্যাচের ২৮ মিনিটে দিয়েগো কোস্তা সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় প্রাথমিক ধাক্কা খায় অ্যাটলেটিকো।

আরও পড়ুন: গোলে ফিরলেন সালাহ, ফের লিগ শীর্ষে লিভারপুল

সংখ্যাতত্ত্বের নিরীখে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি মাদ্রিদের দলটি। লড়াই জারি রাখে তারা। এরইমধ্যে ডিফেন্ডার দিয়েগো গোডিনের ভুলে বিপদের উপক্রম হলেও সেযাত্রায় রক্ষা পায় অ্যাটলেটিকো। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েগো সিমিওনের দলে ত্রাতা হয়ে ওঠেন দুর্গের শেষ প্রহরী জ্যান ওবলাক। একের পর এক বার্সার আক্রমণ ভোঁতা হয়ে যায় এই স্লোভেনিয়ান গোলরক্ষকের বিশ্বস্ত দস্তানায়।

আরও পড়ুন: প্রথম ভারতীয় হিসেবে ফিফার কার্যকরী সমিতিতে প্রফুল প্যাটেল

কিন্তু শেষ অবধি দুর্গ আর অক্ষত রাখতে পারেননি তিনি। ৮৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ঊরুগুয়ে স্ট্রাইকারের দূরপাল্লার শট ওবলাকের নাগাল এড়িয়ে জড়িয়ে যায় জালে। প্রথম গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্সা পরের মিনিটেই দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেয়। এক্ষেত্রে এলএম টেনের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কাছে পরাস্ত হতে হয় অ্যাটলেটিকো ডিফেন্সকে। দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে আলতো শটে স্কোরলাইন ২-০ করেন আর্জেন্তাইন।

আরও পড়ুন: সুস্থ হয়ে উঠছেন পেলে

এই জয়ের ফলে ৩১ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে থাকা অ্যাটলেটিকোর চেয়ে পরিষ্কার ১১ পয়েন্টে এগিয়ে গেল বার্সা। একইসঙ্গে খেতাব জয়ের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে গেল কাতালান ক্লাব।