বার্সেলোনা: চলতি মরশুমে প্রথমবার লা লিগার শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল। লেভান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও সেই সুযোগ হাতছাড়া করল বার্সেলোনা। তার চেয়েও বড় কথা ড্র করে এদিন হয়তো খেতাবটা লেভান্তের মাঠেই রেখে এলেন লিওনেল মেসিরা। প্রথমার্ধে দু’গোলে পিছিয়ে পড়া লেভান্তে এদিন সমতা ফেরায় দ্বিতীয়ার্ধে। বার্সেলোনা তারপরেও ফের লিড নেয়। কিন্তু ম্যাচ শেষের কয়েকমিনিট আগে তৃতীয় গোল ফিরিয়ে দিয়ে কাতালানদের শীর্ষে যাওয়ার আশায় জল ঢেলে দেয় লেভান্তে।

এই ড্র’য়ের ফলে লিগের দু’ম্যাচ বাকি থাকতে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে বার্সেলোনা। এক পয়েন্ট কম নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আপাতত তৃতীয়স্থানে থাকলেও তারা একটি ম্যাচ কম অর্থাৎ, ৩৫টি ম্যাচ খেলেছে। আর শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট ৩৫ ম্যাচ খেলে ৭৭। সবমিলিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পর লেভান্তে, টানা দু’ম্যাচ ড্র করে খেতাব থেকে ক্রমশ পিছু হটছে বার্সা। এখন অ্যাটলেটিকো কিংবা রিয়ালের পয়েন্ট খোয়ানোর দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের।

লেভান্তের বিরুদ্ধে ড্র’য়ের পর তাদের খেতাব জয়ের সম্ভাবনা যে ক্ষীণ হল সেকথা স্বীকার করে নিচ্ছেন মিডফিল্ডার সার্জিও বুসকেটস। ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘লিগ জয়ের সম্ভাবনা ভীষণই কমে এল আমাদের। খারাপ লাগছে যে ম্যাচটা আমরা জিততে পারলাম না। দারুণ শুরু করেছিলাম। দু’গোলের অ্যাডভান্টেজ নিয়েছিলাম। কিন্তু নিজেদের ভুলের খেসারত দিতে হল আমাদের। আমাদের পাসিং যথাযথ ছিল না আর বিপক্ষ তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছে। আমাদের সুযোগ ছিল কিন্তু আমরা আমাদের ভুলের মাশুল গুনলাম। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা খারাপ খেলেছি।’

উল্লেখ্য, ২৫ এবং ৩৪ মিনিটে এদিন গোল করে বার্সেলোনা এগিয়ে দেন লিওনেল মেসি এবং পেদ্রি। কিন্তু ৫৭ এবং ৫৯ মিনিটে দু’মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোলে ম্যাচে ফেরে লেভান্তে। গোল করেন গঞ্জালো মেরেলো এবং লুইস মোরালেস। তবে ৬৪ মিনিটে দলের হয়ে তৃতীয় গোল করে ফের বার্সেলোনার শীর্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা উসকে দেন দেম্বেলে। কিন্তু রক্ষণের ব্যর্থতায় সেই গোলও ধরে রাখতে পারেনি বার্সেলোনা। ৮৩ মিনিটে সার্জিও লিওন গোল করে রোনাল্ড কোম্যানের দলের শীর্ষে যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতি টেনে দেন।

কোম্যান ম্যাচ শেষে বলেন, ‘ওরা তিন গোল করে আমাদের চমকে দিয়েছে। আমার কাছে এই ফলাফলের কোনও ব্যাখ্যা নেই।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.