বার্সেলোনা: লকডাউন পরবর্তী সময় টানা সাত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে দুর্বার গতিতে চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে এগোচ্ছে জিদানের রিয়াল মাদ্রিদ। পক্ষান্তরে দু’পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শুরু করেও একের পর এক ম্যাচে হোঁচট খেয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের রাস্তা কঠিন করে ফেলেছে কিকে সেতিয়েনের বার্সেলোনা। গত দু’ম্যাচে সেল্টা ভিগো এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ড্র করে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে কাতালান ক্লাবটি।

রবিবার বার্সেলোনা মাঠে নামার আগে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে হারিয়ে ব্যবধানটা বাড়িয়ে সাতে নিয়ে গিয়েছিলেন রামোসরা। তাই ভিল্লারিয়ালের বিরুদ্ধে জয় ছাড়া অন্য কোন ফলাফল কার্যত চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড় থেকে ছিটকে দিত মেসিদের। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের এত সহজে লিগ ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নয় বার্সেলোনা। তাঁরা যে শেষ দেখেই ছাড়বেন, রবিবার রাতে বুঝিয়ে দিলেন সুয়ারেজ, ফাতিরা। অ্যাওয়ে ম্যাচে ৪-১ গোলে জিতে লিগের লড়াইয়ে ভীষণভাবে রইল বার্সেলোনা।

পাও তোরেসের আত্মঘাতী গোলে এদিন ম্যাচের তিন মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। জর্ডি আলবার পাস বাঁচাতে গিয়ে তা নিজেই গোলে ঠেলে দেন তোরেস। তবে ১৪ মিনিটে জেরার্ড মোরেনোর গোলে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে ভিল্লারিয়াল। কিন্তু ছ’মিনিট বাদেই ফের এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির পাস ধরে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে কোনাকুনি ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন ঊরুগুয়ে স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে আলতো চিপে বল জালে জড়ান গ্রিজম্যান। গোলরক্ষকের অবস্থান লক্ষ্য করে এক্ষেত্রে ফরাসি স্ট্রাইকারের দর্শনীয় গোলটি ম্যাচের সেরা।

প্রথমার্ধে জোড়া গোলের পিছনে অবদান রাখার পর দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় থাকে মেসির দাপট। কিন্তু গোলটাই যা পাননি তিনি। একটি ক্ষেত্রে গোল করেও অফসাইডের গেরোয় আটকে যান তিনি। আরেকটি ক্ষেত্রে তাঁর ফ্রি-কিক এবং গোলের মধ্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় পোস্ট। ম্যাচ শেষের তিন মিনিট আগে দ্বিতীয়ার্ধের একমাত্র গোলটি করেন আনসু ফাতি। ভিল্লারিয়াল রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে তাঁর মাটি ঘেঁষা শট খুঁজে নেয় গোলের ঠিকানা। চার ম্যাচ বাকি থাকতে বার্সেলোনার সংগ্রহে ৭৩ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে তাঁরা।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব