দাঁত ভালো রাখতে দুইবেলা ভালো করে ব্রাশ করা কিংবা ছয়মাসে একবার ডাক্তারের কাছে যাওয়া এমন অনেক সতর্কতা থাকলেও কয়েকশ বছর আগে এগুলো ছিল কল্পনা। বর্তমানে দাঁতের যে কোনো সমস্যার রয়েছে নানা রকমের উন্নতমানের চিকিৎসা। আর প্রায় প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে নানা রকম নতুন চিকিৎসার যন্ত্রপাতিও। রয়েছে অভিজ্ঞ চিকিৎসকও। তবে জানেন কি দন্তচিকিৎসা শুরু হয়েছিল অনেক আগেই?

প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে দাঁতের সমস্যা সমাধানের নানা নজির পাওয়া যায়। এমনকি মধ্যযুগেও ছিল এইসব সমস্যা সমাধানের নানান উপায়। প্রাচীনকাল বা আমাদের পূর্বপুরুষদের দাঁত ও মুখগহ্বর আমাদের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ ছিল এটা মানতেই হবে আমাদের। এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে অনেক। এখন দাঁতের ক্ষয়রোগের যে প্রবণতা দেখা যায়, তখনকার সময় তা এত বেশি পরিমাণে ছিল না। এর পেছনে অবশ্য তাদের স্বাস্থ্যকর এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের বড় ভূমিকা রয়েছে।

আরো পোস্ট- একগুঁয়ে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক…সামলাবেন কীভাবে

দন্তচিকিৎসকেরা সুস্থ দাঁতের জন্য স্বাভাবিকভাবেই যেমন খাদ্যতালিকা অনুসরণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, ঠিক তেমন খাদ্যতালিকাই প্রচলিত ছিল মধ্যযুগে। বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, শস্যদানা আর ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুগ্ধজাত পণ্য- এগুলোই ছিল তখনকার মূল খাবারের অন্তর্গত। চিনির দাম বেশ চড়া হওয়ায় সে সময় চিনি অতটা ব্যবহৃত হতো না। ফলে দাঁতের ক্ষয়ের পরিমাণ ছিল কম।

মধ্যযুগে অধিবাসীরা দাঁত সাদা রাখা এবং মুখ দুর্গন্ধমুক্ত রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হয়ে উঠেছিলেন। মোটা দানার লবণ আর কাঠকয়লার মিহি গুঁড়ো ছিল টুথ পাউডার। স্বাদ ও মুখের সুগন্ধের জন্যে এর মধ্যে মেশানো হতো পুদিনা, ভূঁই-তুলসী, মৌরি, রোজমেরি ইত্যাদি।

মধ্যযুগে পাদ্রীরা ছিলেন সমাজের সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তি এবং তারাই তখন দাঁত তোলাসহ সবধরনের অস্ত্রোপচারের কাজ করতেন যত্ন সহকারে। পরবর্তীতে গির্জা থেকে তাদের দ্বারা এইসব কাজ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলে এই গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত হয় স্থানীয় নাপিতদের ঘাড়ে, যেহেতু ধারালো যন্ত্রপাতি নিয়েই তারা কাজ করে থাকে রোজ। তবে দাঁতের অবস্থা নিতান্তই খারাপ এবং সংরক্ষণের অযোগ্য না হলে তারা দাঁত তুলতো না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.