স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: শুরু হয়ে গিয়েছে দুর্গাপূজো। দেবীপক্ষের সূচনার আগে থেকেই বিভিন্ন জায়গায় উদ্বোধনও হয়ে গিয়েছে পুজো মণ্ডপের। সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই গ্রাম বাংলাও।

পুজোর থিমে রীতিমতো চমকদার সব বিষয়বস্তুও তুলে ধরা হয়েছে। কোথাও রয়েছে পাহাড়, জঙ্গল, মন্দির আবার কোথাও একেবারে গ্রাম বাংলার সেই রূপসী বাংলার চালচিত্র।

আরও পড়ুন: চিনে সমলিঙ্গের মাধ্যমে বাচ্চার জম্ম দেওয়া সম্ভব হল

এবার পুজোয় ৩১ তম বর্ষে বর্ধমানের বড়শুল জাগরণীর পুজোর থিম রূপসী বাংলা-শিকড়ের টানে মাটির গানে। ১৬ লক্ষ টাকা পুজোর এই বাজেটে তুলে ধরা হয়েছে গ্রামবাংলার খণ্ডচিত্রকে। বিষয়ভাবনাকে আরও জাগ্রত করতে মেদিনীপুরের পিংলার জামেলা চিত্রকরের পটচিত্রকে তুলে ধরা হয়েছে এই মণ্ডপে। এমনকী, পুজোর এই ক’টা দিন তিনি নিজেও হাজির থাকবেন মণ্ডপে।

মনসামঙ্গহলের আখ্যানকে তিনি পটচিত্রে ব্যবহার করেছেন এখানে। আরও আকর্ষণীয় বিষয় হল এই মনসা মঙ্গলের পটচিত্রকে বোঝাতে তিনি গান গেয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জনের চেষ্টাও করবেন।

আরও পড়ুন: অন্ধকারের এক ঘণ্টা কেমন কাটল পটুয়াপাড়ার?

আরও পড়ুন: পুজোয় বাড়তি রোজগারের সুযোগ করে দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ! কীভাবে জানুন

মনসামঙ্গলের পাশাপাশি আরও এক পটচিত্রকে ব্যবহার করা হয়েছে এখানে। রামায়ণের খণ্ডচিত্র কালিঘাটের এই পটচিত্রে দেখা যাবে। পুজো কমিটির প্রচার সচিব কবিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই বাংলায় কী নেই। অজস্র সম্পদে সমৃদ্ধ আমার সোনার বাংলা-রূপসী বাংলা। মণ্ডপে সেগুলিই তুলে ধরা হয়েছে।’’

রয়েছে ঢেঁকিতে ধান ভাঙার ছবি। নবান্ন উৎসব জাগরণীর পুজো মণ্ডপে ঢোকার মুখেই থাকছে কাশবন, তালগাছ। তা পেড়িয়ে ঢুকতেই বিশালাকার দু’টি ষাঁড়, যারা দেবীকে গরুর গাড়িতে করে মণ্ডপে নিয়ে এসেছে। মণ্ডপের ভেতরে রয়েছে বাংলার বিখ্যাত ডোকরা শিল্পের নির্দশন।

আরও পড়ুন: অতীতকে বজায় রাখতে চাইছে বর্ধমানের বড়শুল ইয়ংম্যানস ক্লাব

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শার্দুল

মণ্ডপের থিমমেকার পুলক ঘোষাল জানিয়েছেন, এই মণ্ডপ সজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে খড়, চট, বাঁশ, মাটির ভাঁড়, কাঠের গুঁড়ো, নারকেল ছোবড়া, ধুদুল,মাশরুম প্রভৃতিকে। বাংলার হারিয়ে যাওয়া শিল্পকে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল আইনজীবীরা

আরও পড়ুন: চতুর্থীর দিন কী আছে আপনার রাশিচক্রে?