ফাইল ছবি

ব্যারাকপুর: শ্রমিক মালিক অসন্তোষের জেরে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর জুট মিলে। বকেয়া পি এফের টাকার হিসেব না জানতে পেরে কারখানার ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সোমবার সকালে ম্যানেজমেন্টের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। যার ফলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য এই জুট মিলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বরানগর জুট মিলের সাধারন শ্রমিকদের বক্তব্য, “এই জুটমিলের কোন শ্রমিকের পি এফের টাকার হিসেব নেই। অথচ প্রত্যেক মাসে শ্রমিকদের বেতন থেকে মোটা টাকা পি এফ বাবদ কেটে নিচ্ছে কারখানা কতৃপক্ষ। শ্রমিকদের প্রশ্ন গত অন্তত ১০ বছর ধরে কোন শ্রমিকের পি এফের টাকার হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের ঘরে সেই টাকা জমা পড়ছে না। শ্রমিকদের টাকা কেটে নিয়ে মালিকপক্ষ সেই টাকা অন্য ব্যাবসায় বিনিয়োগ করে সেখান থেকে লাভ করছে। কারখানার ৯টি স্বীকৃত শ্রমিক সংগঠন রয়েছে, তবে তারা শ্রমিকদের টাকা নয়ছয়ের বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।” শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের উপর ভরসা না করে বর্তমানে শ্রমিকরা নিজেরাই আন্দোলনে সামিল হয়ে এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিলেন। এই জুটমিলটি গোবিন্দ সারদার মালিকানাধীন।

গত এক মাস আগে স্থানীয় বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়, শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা ও সাধারন শ্রমিকদের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক করেন কারখানার মালিক গোবিন্দ সারদা। শ্রমিকদের বক্তব্য, সেই সময় মালিক কথা দিয়েছিলেন একমাসের মধ্যে এই বিষয়টি তিনি শ্রমিকদের জানাবেন। কিন্তু একমাস কেটে যাওয়ার পর শ্রমিকরা সোমবার জোট বেঁধে কারখানার ম্যানেজমেন্টের কাছে তাদের অধিকারের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ম্যানেজমেন্ট সেই বিষয় সম্পর্কে শ্রমিকদের সদর্থক কিছুই জানায়নি।

এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারন শ্রমিকরা। তারা অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। এর ফলে এই জুটমিলের অন্তত ৪ হাজার শ্রমিক বেকার হলেন। বরানগর জুটমিলে উত্তেজনা থাকায় কারখানার গেটে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। তবে এই কারখানার উৎপাদন শুরু করার বিষয়ে এখনো কোন সমাধান সূত্র মেলেনি। এই ঘটনায় মালিকপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।