প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: করোনা-যুদ্ধ জয় করে ঘরে ফিরে এলেন উত্তর বারাকপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বৃদ্ধা সুমিত্রা সাহা। বেসরকারি হাসাপাতেল ভর্তি থাকাকালীন করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন একটানা ২৪ দিন। দীর্ঘ লড়াইয়ে মারণ করোনাকে হারিয়ে জয়ী অশতিপর বৃদ্ধা।

চলতি মাসের ২ তারিখ থেকে বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন সুমিত্রা সাহা। তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হলে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। কলকাতার ওই বেসরকারি হাসপাতালে ৫ এপ্রিল থেকে চিকিৎসা চলছিল ৮০ বছরের সুমিত্রা সাহার। ওই বেসরকারি হাসপাতালে ওই বৃদ্ধার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট ধরা পড়ে।

তারপর থেকে ওই হাসপাতালেই বৃদ্ধার চিকিৎসা চলেছে একটানা ২৪ দিন। ২৪ দিন লড়াই করে মারণ ভাইরাসকে হেলায় হারিয়েছেন বৃদ্ধা। সুস্থ হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরেছেন সুমিত্রা সাহা। উত্তর বারাকপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটক পাড়া থেকে এদিনই খুলে দেওয়া হয় প্রশাসনের ব্যারিকেড

 

হাততালি দিয়ে করোনাজয়ী বৃদ্ধা সুমিত্রা সাহাকে অভ্যর্থনা জানান উত্তর বারাকপুর পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জীব সিং জানান, সুমিত্রাদেবীকে দেখে তাঁরাও মনে শক্তি পেয়েছেন। পাড়ার বাসিন্দা সুমিত্রাদেবী করোনা-যুদ্ধ জয় করে ফিরলেন।

উত্তর বারাকপুর পুরসভায় করোনার প্রকোপ দেখা দেওয়ায় এই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর । তবে করোনা যুদ্ধে অশীতিপর বৃদ্ধার জয় মনোবল বাড়িয়েছে গোটা উত্তর বারাকপুর পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।