স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সরস্বতী পুজোর মণ্ডপ সজ্জায় এবারও অভিনবত্ব নিয়ে হাজির হয়েছিল বাঁকুড়া শহরের কলেজ মোড় টেন্ট সোশ্যাল অ্যাণ্ড কালচারাল অর্গানাইজেশান। কাল্পনিক এক আদিবাসী রাজাকে কেন্দ্র করে শিকার উৎসবের খণ্ড চিত্র ধরা পড়ে এখানকার মণ্ডপ সজ্জায়।

 

শহরের কলেজ মোড় এলাকায় নিয়ম করে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় জমাটি আড্ডায় হাজির হন অসংখ্য মানুষ। সেই দলে শহরের বিভিন্ন পেশার অসংখ্য মানুষ রয়েছেন। সেই প্রতিদিনের আড্ডায় অংশ নেওয়া মানুষের উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে তৈরী হয় কলেজ মোড় টেন্ট সোশ্যাল অ্যাণ্ড কালচারাল অর্গানাইজেশান।

এই সংগঠন উদ্যোগের সারা বছর খেলাধূলার পাশাপাশি নানান ধরণের সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। সারা বছর ঐ সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি শহর বাঁকুড়ার মানুষ অপেক্ষা করে থাকেন এই সরস্বতী পুজোর দিন গুলোর জন্য। আর সারা বছর ধরে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকা মানুষকে কখনোই নিরাশ করতে রাজী নন পুজো উদ্যোক্তারা।

প্রতি বছরের মতো এবছরও তাই নতুন থিম ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তারা। প্রায় সাড়ে দশ লক্ষ টাকা বাজেটের ৩৫ তম বর্ষের এই পুজোয় মণ্ডপ সজ্জার দায়িত্বে ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকে আসা শিল্পী অরিজিৎ পাল ও বিপুল বারিক। মূলত ফাইবার, ফোম, মাটির ভাঁড়, বাঁশ আর কাপড় দিয়েই তৈরী হয়েছে এই পুজো মণ্ডপ।

শহরের অন্যতম ব্যস্ততম কলেজ মোড়ে আদিবাসী ঐতিহ্যকে সামনে রেখে ‘লোক মুখোশে রচনা’ থিম ভাবনা প্রত্যক্ষ করতে শনিবার রাত থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে৷ পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য অভিষেক ঘোষ বলেন, এবার আমাদের এখানকার পুজোর থিমের সঙ্গে সাজুয্য রেখে মুখ মণ্ডলের একটা অংশ মুখোশে ঢাকা রয়েছে। মানব জাতির প্রত্যেকেই আমরা কম বেশী এই ঘটনার সঙ্গে পরিচিত। সেই বিষয়টা সকলের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি জেলার আদিবাসী সমাজের উৎসবের অন্যতম অঙ্গ শিকারকে তুলে ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলার অন্যতম ‘বিগ বাজেটে’র সরস্বতী পুজোর মণ্ডপে আগামী দিন ভালোই জনসমাগম হবে, এমনটাই আশা করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।