তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘করোনা’ আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে রঙের উৎসবে মাতলো বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল৷ সোমবার খাতড়া মহকুমা প্রশাসন ও তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে ‘বাঁকুড়ার রাণী’ মুকুটমনিপুরে তৃতীয় বার্ষিক ‘পলাশ উৎসবে’ অংশ নিলেন অসংখ্য মানুষ৷

এদিন সকালে পদযাত্রা শেষে মুকুটমনিপুরে নাচ-গান-কবিতা আর সঙ্গে দেদার আবির খেলায় মেতে উঠলেন অসংখ্য মানুষ৷ আর এখানে আসা পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় পাওনা যেন স্থানীয় বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডির অসাধারণ নৃত্যশৈলী প্রত্যক্ষ করা৷ রঙের উৎসবে একেবারে অন্যভূমিকায় দেখা গেল তাঁকে৷ ছাত্রীদের সঙ্গে অপরুপ সাজে সজ্জিত হয়ে তিনিও সুনিপুন দক্ষতায় নাচে অংশ নিলেন৷ বিধায়ককে এই ভূমিকায় দেখতে পেয়ে খুশি সকলেই।

অংশগ্রহণকারী সুশিতা মণ্ডল বলেন, দারুণ আনন্দ হচ্ছে৷ সকলে মিলে একসাথে এই পলাশ উৎসবে অংশগ্রহণের মজাই আলাদা বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাঁকুড়ার লাল মাটিতে ‘করোনা ভাইরাসের কোন প্রভাব পড়েনি’ জানিয়ে বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি বলেন, সকলে মিলে আমরা রঙের উৎসবে মেতে উঠেছি। ফি বছর নতুন করে মুকুটমনিপুর সেজে উঠছে, আগামী দিনে আরো নতুন রুপে মুকুটমনিপুরকে পাওয়া যাবে। আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করা মুকুটমনিপুরে পলাশ উৎসবে অসংখ্য মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।