স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: রাজ পরিবারের সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে। মৃতের নাম সলিল সিংহ ঠাকুর (৬২)। শনিবার সকালে তাঁর বাড়ি থেকে রক্তাক্ত মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে পাশে পড়ে থাকা একটি একনলা বন্দুকও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, এদিন সকালে রাজবাড়ি থেকে গুলির আওয়াজ ভেসে আসে। প্রথম দিকে বিষয়টিকে কেউ সেভাবে পাত্তা দেননি। পরে রাজপরিবারের অন্যতম সদস্য সলিল সিংহঠাকুরের ‘আত্মহত্যা’র খবর শুনে অনেকেই ভিড় করেন। খবর দেওয়া হয় বিষ্ণুপুর থানায়।

প্রতিবেশী মালতি মল্ল বলেন, “অন্যান্য দিনের মতো এদিন সকালে মন্দিরে ফুল দেওয়ার সময় হঠাৎই গুলির আওয়াজ পাই। বাজির আওয়াজ ভেবে বিষয়টিকে প্রথম দিকে তেমন গুরুত্ব দিইনি। পরে পুরো বিষয়টি শুনলাম।”

মৃত সলিল সিংহ ঠাকুরের ‘বন্ধু’ কনকজ্যোতি দাস বলেন, গতকাল শুক্রবার আমার সঙ্গে মন্দিরে দেখা হয়েছিল। হাঁটুর ব্যাথা সংক্রান্ত শারিরীক অসুস্থতার কারণে অনেক দিন ধরে মানসিক অবসাদে তিনি ভুগছিলেন। সেকারণেও উনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে তিনি জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি একটি একনলা ওই বন্দুকটি বাজেয়াপ্ত করে।

একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত ও মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। সাধারণ আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা জানতে প্রয়োজনে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.