তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: এক-দুই-তিন…এভাবে কেটে গিয়েছে ১০০ বছরেরও বেশি সময়। আর ওই সময়কালের আগে গজরাজের আক্রমণের হাত থেকে জমির ফসল বাঁচাতে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় এলাকার জঙ্গল লাগোয়া রামকানালী গ্রামে শুরু হয়েছিল ‘গজ লক্ষী’র পুজো।

সেকারণে এখানে চিরাচরিত পেঁচা নয়, দেবী লক্ষী হাতির পিঠে উপবিষ্টা। মাঝের কিছু বছর হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেলেও গত কয়েক বছর ধরে ফের শুরু হয়েছে হাতির উপদ্রব। জমির ফসল বাঁচাতে হিমশিম অবস্থা ওই গ্রামের মানুষের। আর তারপর চলতি বছরে করোনা আবহের মধ্যেও গ্রামে পুজো হচ্ছে। তবে সেই আগের জৌলুস নেই। নিয়ম রক্ষার পুজো হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে গ্রামের মানুষ জানিয়েছেন।

গ্রামবাসী গৌতম বারিক বলেন, বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা জঙ্গল মহল নামে পরিচিত, আর এই জঙ্গল মহলে হাতির উপস্থিতি বরাবর। সেকারণে গ্রামের একমাত্র পুজোয় দেবী লক্ষীর বাহন হাতি। প্রতি বছর মহাধুমধামে পুজো হতো। তবে এবার করোনার কারণে সমস্ত ধরণের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পুজো হবে। তারউপর এই এলাকায় ৪০ টি হাতির একটি দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আত্মীয় স্বজনরাও এবারের পুজোয় সেভাবে অংশ নিতে পারবেননা বলে তিনি জানান।

আর এক গ্রামবাসী সরেশ গরাই বলেন, যেভাবে হাতির উপদ্রব বেড়েছে তাতে ফসল ঘরে তোলাই জটিল। হাজার চেষ্টা করেও হাতির আক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছেনা। ‘মা লক্ষ্মী’ই যদি মাঠে পড়ে থাকেন, কৃষিজীবী মানুষ হিসেবে লক্ষ্মীর পুজো তারা কিভাবে করবেন বলেও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।