স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাঁকুড়া। জেলার বারিকুল থানার হিজলি গ্রামে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন বলেও সূত্রের খবর৷

স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও মেলেড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ‘বিদায়ী’ প্রধান রাজু সিং অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে হিজলী গ্রামে তৃণমূলের একটি কর্মিসভা চলছিল। সেই সময় প্রায় ১০০ জনের বিজেপির বাইকবাহিনী লাঠি, লোহার রড, তীর-ধনুক নিয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। ঘটনায় তীর বিদ্ধ হয়ে মারাংবুরু হাঁসদা ও আনন্দ সরেন গুরুতর আহত হন। তাঁরা বর্তমানে বাঁকুড়া সম্মেলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷

ঘটনার জেরে আতঙ্ক গ্রাস করেছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের৷ খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বারিকুল থানায় কয়েকজন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। এই প্রসঙ্গে আহত মারাংবুরু হাঁসদা ও আনন্দ সরেন বলেন, ‘‘হিজলী গ্রামে আমরা তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বুথ মিটিং করছিলাম। সেই সময় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর লাঠি, তীর ধনুক ও বন্দুক নিয়ে আক্রমণ করে। স্থানীয় কয়েকজন পরিচিত বিজেপি কর্মীর পাশাপাশি ওই দলে বাইরে থেকেও দুষ্কৃতীরা এসেছিল৷’’

যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র বলেন, ‘‘বিজেপি কর্মীরাই ওই এলাকায় তৃণমৃলের হাতে বারবার আক্রান্ত হচ্ছেন।’’ নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলকে আড়াল করতে বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে৷ বিজেপি বন্দুক, গুলি আর হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলে দাবি করেন তিনি৷

বাঁকুড়া জেলার অন্যান্য অংশের সঙ্গে এবার জঙ্গলমহলেও বিজেপি তাদের সংগঠনকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে উদ্যোগ নিয়েছে। বামেদের হটিয়ে বিজেপি শাসক দল তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে ভোট যুদ্ধের ময়দানে উঠে আসছে। সেই কারণেই যুযুধান দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই ধারাবাহিক আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ঘটনা ঘটছে বলে জেলা রাজনৈতিক মহলের অভিমত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।