স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। মৃত এবং আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ উর্ধ্বমুখী। এই অবস্থায় এবার করোনার থাবা বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও। করোনা আক্রান্ত হলেন হাসপাতালে কর্মরত এক ইন্টার্ণ চিকিৎসক।

তিনি হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার ওই ইন্টার্নের জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সেই রিপোর্টে ওই চিকিৎসকের করোনা পজিটিভ বলে জানা যায়।

এরপরেই তাঁকে ওন্দার কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঐ ইন্টার্ন চিকিৎসক যে হোষ্টেলে থাকতেন সেই হৌষ্টেল স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আক্রান্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা সমস্ত চিকিৎসক ও নার্সদের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম প্রধান টেলিফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে সমস্ত ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভর্তি থাকা রোগী ও আত্মীয়দের অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, বাংলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বৃহস্পতিবারের হিসেব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১০০০। এই প্রথমবার রাজ্যে হাজার ছাড়াল আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১,০৮৮ জন, মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। ফলে এদিন সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত দুটিতেই রেকর্ড করল রাজ্য।

তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ৮,২৩১ জন৷ বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৮৮ জন।ফলে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫,৯১১ জনে ৷ অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের৷ ফলে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮৫৪ জনে।

আক্রান্ত ও মৃতের পাশাপাশি অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। একদিনে ৫৩৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬,৮২৬ জন। যা শতাংশের হিসেবে ৬৪.৯৩ শতাংশ৷ গতকাল ছিল ৬৫.৬২ শতাংশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.