স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে উল্টো করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল। আর এই ছবি ধরা পড়ল বাঁকুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মাচানতলায়। দীর্ঘক্ষণ এভাবে পতাকা উড়লেও হুঁশ ফেরেনি ওই পতাকা উত্তোলনকারী বাঁকুড়া দক্ষিণ বনবিভাগের কার্যালয়ে।

একটি সরকারি দফতরের জাতীয় পতাকার এই অবমানায় শহর জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের নজরে আসায় বনদফতরের কর্মী-আধিকারিকরা দ্রুত জাতীয় পতাকা সোজা করে ফের উত্তোলন করেন। যদিও তাঁরা এবিষয়ে কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি।

তবে একটি সরকারি দফতরে এই ধরণের দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে উলটো পতাকা তুলে চরম বিতর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও পরে বিষয়টির ভুল বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে পতাকা ঠিক করেন। এবং ফের তুলতে শুরু করেন।

এই ঘটনায় কার্যত তাঁকেও যে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন দিলীপবাবু। তিনি জানিয়েছন, এই বিষয়ে সতর্ক হওয়াটা জরুরি ছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে তারাপীঠে পুজো দেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এর পরেই রামপুরহাটে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন।

দিলীপ ঘোষ পতাকা তোলার সময়ই খেয়াল করেন সেটি উল্টো। এর পর পতাকা সোজা করে ফের তোলেন। জাতীয় সঙ্গীতও করেন। কিন্তু তাতে সমালোচনা থামেনি।

দিলীপ ঘোষ যদিও বারবার দাবি করেছেন, জাতীয় পতাকার অসম্মানের জন্য এসব করা হয়নি। নিতান্ত ভুল করেছেন দলীয় কর্মীরা। তা সংশোধন করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‌এটা খুবই অস্বস্তিকর ঘটনা।

পতাকা তোলার আগে পরীক্ষা করে দেখিনি। কিন্তু পতাকা তোলার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টা আমার চোখে পড়ে। তখন নিজেই হাত লাগাই। তার পর সঠিক ভাবে জাতীয় পতাকা তুলি। যাঁরা ওই দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের বলেছি, এমন ভুল যেন আর কখনও না হয়।’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।