তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘প্রায় শিল্প বিহীন, কৃষি নির্ভর জেলা’ হিসেবেই সমধিক পরিচিতি রয়েছে লাল মাটির দেশ বাঁকুড়ার। তারপরেও বড়জোড়া, বিষ্ণুপুর ও বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন এলাকায় যে ক’টি কলকারখানা রয়েছে দীর্ঘ দু’মাসেরও ‘লকডাউনে’ উৎপাদন বন্ধ থাকায় তাদের অবস্থাও জটিল থেকে জটিলতর হয়েছে।

ওই কারখানায় কর্মরত এই মুহূর্তে ‘কর্মহীন’ শ্রমিকরা তো সমস্যায় পড়েছেছেন, কম সম্যায় পড়েননি ওই সব ছোটো, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীরা।

করোনা সতর্কতায় লকডাউনে বন্ধ কারখানা, বন্ধ উৎপাদন। এসবেরর মাঝেই আমরা ঘুরে দেখলাম বড়জোড়া শিল্পাঞ্চল এলাকার বেশ কয়েকটি কারখানা, কথা বললাম শিল্পোদ্যোগী থেকে বাঁকুড়া চেম্বার অব কমার্সের পদাধিকারীর সঙ্গে।

লকডাউন ঘোষণার আগে যে বড়জোড়ার শিল্প কারখানা গুলি শ্রমিক, কর্মচারীদের কর্মতৎপরতা আর যান্ত্রিক শব্দে গমগম করতো এখন সেখানে শ্মশানের নিঃস্তব্ধতা। অধিকাংশ কারখানার প্রধান ফটকে তালা ঝোলানো। ধোঁয়াহীন চিমনী আকাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। এর পরেও যেকটি কারখানা চলছে সেখানেও উৎপাদন আশাপ্রদ নয়। সব মিলিয়ে লকডাউনে চরম সমস্যায় এই জেলার শিল্পোদ্যোগী থেকে শ্রমিক কর্মচারী সকলেই।

তরুণ শিল্পোদ্যোগী অমিত জানা বলেন, সরকার ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করার পরেও কিছু ‘গাফিলতি’ রয়ে গেছে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত শ্রমিক ছাড়া উৎপাদন ব্যহত হবে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশিকা মেনে সীমিত শ্রমিক নিয়ে কাজ চালাতে গেলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। একই সঙ্গে লক ডাউনের কারণে কাঁচামালের যোগান না থাকা ও ব্যাঙ্ক গুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেও কাজে বাধার সৃষ্টি করছে বলে তিনি জানান।

বাঁকুড়া চেম্বার অব কমার্সের সহ সম্পাদক প্রবীর সরকার বলেন, সরকারি অনুমতির পরেও নানান সমস্যায় জর্জরিত হওয়ার কারণে ওই সব শিল্প কারখানা খোলা মাঠে পড়ে আছে। এই মুহূর্তে আরও বেশী প্রশাসনিক সহযোগীতা দরকার। এই অবস্থায় নতুন শিল্পোদ্যোগীদের দু’বছরের লাইসেন্সে ছাড় দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ