প্রতীকী ছবি

বাঁকুড়াঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে বাঁকুড়ায়। একদিনে তা এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ালো ১৩। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল’ হওয়া ছাতনার ১১ জন করোনা আক্রান্তের মেডিক্যাল রিপোর্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের কাছে এসে পৌঁছায়। তারপর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়।

করোনা আক্রান্ত ওই ১১ জন মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ু থেকে ছাতনায় আসেন। তার পরেই ছাতনা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে প্রত্যেকের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মঙ্গলবার সেই রিপোর্ট জেলায় এসে পৌঁছায়। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাঁকুড়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে হলো ১৩। প্রসঙ্গত, মারণ করোনা ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জেলাগুলিতে। পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরতে শুরু করায় এবার জেলাগুলিতেও ছড়াচ্ছে সংক্রমণ।

জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ফেরা ৮০ শতাংশ পরিযায়ী শ্রমিক নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বীরভূম, বর্ধমান, মালদহ, মুর্শিদাবাদ জেলায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একের পর এক বাংলার গ্রিন জোনে থাকা জেলাগুলিতে থাবা বসাচ্ছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। একদিনে রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। রাজ্যে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত ২১১।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৩ জন। এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪০০৯। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭২ জন সেরে ওঠার পরে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪৮৬ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে দেড় লক্ষের বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। একইভাবে মালদহে ৮২ পরিযায়ী শ্রমিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বীরভূমেও নতুন করে আক্রান্তরা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে ভিনরাজ্যে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরলে তাঁদের প্রত্যেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীরাও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা কর্মীদের উপর নজর রাখছেন। তা সত্ত্বেও সবার নজর এড়িয়ে অনেকেই হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন না বলেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ