স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : শক্তিবৃদ্ধি করল বিজেপি সমর্থিত শ্রমিক সংগঠন বিজেএমটিইউ। বাঁকুড়ার বড়জোড়া কংসাবতী কো-অপারেটিভ স্পিনিং মিলস লিমিটেডে কর্মরত ১৩০ জন কর্মী তাদের সংগঠনে যোগ দিয়েছেন বলে বিজেএমটিইউ সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

বিজেএমটিইউতে যোগ দেওয়া কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার ভারতীয় মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি গৌতম দাস।

বিজেএমটিইউ বা ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নে যোগ দিয়ে স্বপন মণ্ডল বলেন, সিপিএম বা তৃণমূল কংগ্রেসের আমলেও আমাদের কিছু হয়নি। আশ্বাস ছাড়া তাদের কাছ থেকে আর কিছুই পায়নি। সেকারণেই বাধ্য হয়ে আমরা বিজেএমটিইউতে যোগদান করেছি বলে তিনি জানান।

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার ভারতীয় মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের সভাপতি গৌতম দাস বলেন, শ্রমিকদের সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি তাই তারা তিতি বিরক্ত হয়ে আজ বিজেএমটিইউতে যোগদান করলেন। আগামী দিনে তাঁদের সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা এবং ন্যায্য অধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

কয়েকদিন আগেই বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছেন বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা কার্যকরী সভাপতি ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র কোতুলপুর এলাকা থেকে ৭০০ জন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাঁর হাত ধরে। প্রত্যেকেই সক্রিয় তৃণমূল ও কয়েক জন সিপিএম কর্মী ছিলেন বলে বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

তৃণমূল ছেড়ে আসা ওই কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অমর নাথ শাখা সহ অন্যান্য পদাধিকারিরা।

এদিন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে গঙ্গাধর লোহার বলেন, ওই দলে থেকে মানুষের কাজ করার সুযোগ ছিল না। তিন জন ব্লক নেতৃত্ব নিজেদের খেয়াল খুশি ও পছন্দের লোককে দিয়ে কাজ করায়। সেকারণেই মানুষের কাজ করতেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার নাম না করে তাঁকে ‘হাফ প্যান্ট মন্ত্রী’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, উনি তো লোকসভা ভোটে নিজের বুথেই হেরে আছেন। আর ওনার এলাকার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ৯০ জনের নেতৃত্বে ৭০০ জন তাদের দলে যোগ দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ