তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘নির্ভয়ে ভোট দিন, উৎসবের মেজাজে ভোট দিন’ স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটারদের ভোট দানে উৎসাহিত করতে ‘পথ নাটক’কেই হাতিয়ার করল বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লক প্রশাসন। ইতিমধ্যে স্থানীয় ‘প্রয়াস’ নামে এক নাট্য গোষ্ঠীকে দিয়ে ‘বাজলো ভোটের ঘণ্টা’ নামে একটি পথ নাটক বিভিন্ন এলাকায় মঞ্চস্থ হয়েছে।

গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বেশ কয়েকবার রাজনৈতিক কারণে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে ইন্দাস ব্লক। ২০১৮ সালের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকার অন্যান্য অংশের সঙ্গে এখানেও শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সব ক’টি আসন জয়লাভ করে। সেই সময় বিরোধীরা শাসক দলের সন্ত্রাসের কারণে প্রার্থী দিতে পারেননি বলে অভিযোগ তুলে ছিলেন।

যদিও বরাবর শাসক গোষ্ঠী সেই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। এবার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের গত পাঁচ বছরের ‘তৃণমূল সাংসদ’ সৌমিত্র খাঁ বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সব দিক থেকেই এবার সবার নজরে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্র তথা ইন্দাস ব্লক এলাকা। সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে উৎসবের মেজাজে ভোট দিতে পারে সেই বিষয়ে নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইন্দাস ব্লক প্রশাসন উদ্যোগে ও ‘প্রয়াস’ নাট্য গোষ্ঠীর ব্যবস্থাপনায় ভোট বিষয়ক পথ নাটক ‘বাজলো ভোটের ঘণ্টা’ ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও নাটক শেষে থাকছে ইভিএম ও ভিভি প্যাটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কাজ। সম্প্রতি আকুই গ্রামে এই নাটক দেখতে প্রায় এক হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রত্যেকেই প্রশাসনের এই ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ইন্দাসের বিডিও মানসী ভদ্র চক্রবর্তী বলেন, এবারের ভোটে যাতে সব ভোটাররাই নির্ভয়ে ও উৎসবের মেজাজে ভোট দিতে পারে সেই বিষয়টা সুনিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্লক এলাকায় যে সমস্ত প্রতিবন্ধী মানুষ আছেন তাদের বাড়িতে গিয়ে ভিভিপ্যাটের ব্যবহার দেখানোর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এবার প্রয়াস নাট্য গোষ্ঠীকে দিয়ে ভোট, ইভিএম ও ভিভিপ্যাট বিষয়ক সচেতনতামূলক নাটক মঞ্চস্থ করানো। তারা ব্লক এলাকার বিভিন্ন হাটে, বাজারের পাশাপাশি স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এই নাটক মঞ্চস্থ করেছেন ও করছেন। সবশেষে সরকারি কর্মচারীরা ইভিএম ও ভিভিপ্যাট বিষয়ক জন সচেতনতামূলক কর্মসূচী করবেন বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।