নয়াদিল্লি: অর্থনীতিকে চাঙ্গা গত কয়েকদিন ধরে একের পর এক দাওয়াই ঘোষণ করতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে৷ বৃহস্পতিবার তিনি আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ তার আগে অর্থমন্ত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন৷ পরে সাংবাদিকদের জানান সেই সব সিদ্ধান্তের কথা ৷ দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় এবং অর্থনীতিতে নগদের জোগান নিয়েও এ দিন ব্যাংক কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক রয়েছে তার আগে ব্যাংক কর্তাদের সঙ্গে তাঁর এই আলোচনার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এবার উৎসবের মরসুমের আগে সাধারণ মানুষের কাছে ঋণ পৌছে দিতে ব্যাংকগুলিকে একটি অভিনব জনসংযোগের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে ৷ অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, অনেকটা লোন মেলার মতো উদ্যোগ নিতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ এসে কোনও ব্যাংক বা এনবিএফসি থেকে সহজে ঋণ পায়৷ এজন্য মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে, দুটি ধাপে ২০০টি করে জেলায় অর্থাৎ মোট ৪০০ জেলায় এই লোন মেলার আয়োজন করবে ব্যাংক এবং এনবিএফসি সংস্থাগুলি৷

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, ব্যাংকগুলিকে ‘পাবলিক লেন্ডিং’ বা সাধারণ গ্রাহককে বেশি করে ঋণ দিতে বলা হয়েছে। এরই পাশাপাশি অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলিকেও (এমএসএমই) যাতে বেশি করে ঋণ দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও এমএসএমই ঋণ যদি সাময়িকভাবে অনাদায়ী হয়ে যায় তাহলেও সেই অ্যাকাউন্ট যেন পরের বছর মার্চ মাস অবধি অনাদায়ী বলে ঘোষণা না করা হয়। বরং চেষ্টা করতে হবে সেই অনাদায়ী ঋণগুলিকে পুনর্গঠন করার।

এছাড়া সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে নির্মলার বক্তব্য, সরকারের পক্ষ থেকে রিজার্ভ ব্যাংকের বর্তমান নিয়মবিধি ব্যাংকগুলিকে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নিকরণ নিয়েও এক উচ্চপর্যায়ের কমিটির আলোচনায় তিনি যোগ দেন।