কলকাতা : ব্যাংক কর্মী এবং অফিসারদের ডাকে দুদিনের ধর্মঘটের প্রথমদিনে গোটা দেশেরই ভাল প্রভাব পড়েছে বলে দাবি করেছেন ধর্মঘটীরারা । ধর্মঘটের প্রভাবে বহু এটিএমগুলি সাটার এদিন বন্ধ থাকতে দেখা যায়। ব্য়াংক কর্মী ও অফিসারদের যৌথমঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস মূলত ব্য়াংক বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

আগের ঘোষণা অনুসারে আগামিকালকেও ধর্মঘট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এআইবিইএ। সংগঠনের সভাপতি রাজেন নাগর জানিয়েছেন, রাজ্যের পাশাপাশি গোটা দেশেই এদিনের ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে । এখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য়াংকের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংকের শাখাগুলির বেশির ভাগ এদিন বন্ধ ছিল। তাছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ এটিএম এদিন বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।এদিন ব্য়াংকের কর্মীরা মিলে কলকাতার বিবাদী বাগ অঞ্চলে মিছিল বার করে । তাছাড়া জেলায় জেলায় ব্য়াংক কর্মীদের মিছিল হয়েছে । তাছাড়া রাজেন নাগর জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস বৈঠকে বসবে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে ।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে যখন ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে তখনই আবার দেখা যাচ্ছে দেশজুড়ে ব্যাংক এবং বিমা শিল্পে ধর্মঘট ৷ আর্থিক ক্ষেত্রের অন্তর্গত প্রধান এই দুটি ক্ষেত্রে মোট চারদিনের ধর্মঘট ডাকা হয়েছে ৷ ১৫ এবং ১৬ মার্চ ব্যাংকের ধর্মঘট রয়েছে ৷ আবার ১৭ মার্চ সাধারণ বিমার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে ৷ আর ১৮ মার্চ জীবন বিমা কর্মী অফিসারেরা ধর্মঘটে সামিল হচ্ছেন৷

গত বছরটা করোনা অতি মহামারীর ধাক্কায় রীতিমতো চাপে অর্থনীতি। বিশেষত রাজকোষের ঘাটতি যেভাবে বাড়ছে তা সামাল দিতে বিলগ্নিকরণের পথের উপর ভরসা রাখতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে। বিশেষত কয়েকদিন আগে তাঁর পেশ করা বাজেট ভাষণে তারই প্রতিফলন দেখা গিয়েছিল। তিনি আয়ের পথ খুঁজতে গিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ করা হবে বলে জানান৷ এছাড়া বাজেটে ব্যাংক বিমা বিলগ্নিকরণের দিকে জোর দিয়েছিলেন। সেদিনের বাজেট ভাষণের সময় তিনি জানিয়েছেন, আইডিবিআই ব্যাংক ছাড়াও দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বেসরকারিকরণ করা হবে। এছাড়া একটি সাধারণ বিমা সংস্থার বেসরকারিকরণ করার পাশাপাশি ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার ছাড়া হবে৷ এছাড়া বিমা ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছ ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.