নয়াদিল্লি: গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এক বড় বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। এবার বদলে যাবে ব্যাংকের কাজের সময়।

বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলি সকাল ১০টায় খোলে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকের কাজ করতে গিয়ে অফিসযাত্রীদের দেরি হয়ে যায়। এ বার সেই ভোগান্তি শেষ হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ বার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক খুলে যাবে সকাল ৯টায়। গত জুন মাসে একটি বৈঠক করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, গ্রাহকদের সুবিধার্থে ব্যাংক আরও তাড়াতাড়ি খুলতে হবে। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই নতুন নিয়ম চালু হবে বলে জানা গিয়েছে।

ইন্ডিয়ান ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন বৈঠকে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব দেয়। প্রথমত, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত, দ্বিতীয়, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে ও তৃতীয়, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা। আলোচনার পর স্থির হয়, সকাল ৯টা থেকেই খোলা হবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।

এই নিয়ম সব সরকারি ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে চলেছে।

এদিকে, চলতি মাসেই পর পর ছুটি ব্যাংকে৷ ব্যাংককর্মীদের জন্য খুশির খবর হলেও, আমজনতার কাছে একটু চাপের বলাই যায়৷ অগস্টে বেশ অনেকগুলি ছুটিই রয়েছে।

১০ অগস্ট দ্বিতীয় শনিবার হিসেবে ছুটি ছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ সপ্তাহে ছুটি থাকে দেশের সমস্ত ব্যাংক। এরপরের দিন অর্থাৎ ১১ অগস্ট ছিল রবিবার। স্বভাবতই ছুটির দিন। কিন্তু এরপর ফের একটা ছুটি। রয়েছে গোটা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের বকরিদ। অর্থাৎ সপ্তাহের প্রথমদিন সোমবার ছুটি। এরপর ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস। বৃহস্পতিবারও জাতীয় ছুটি।

এরপর ১৭ অগস্ট- পারসি নিউ ইয়ার, ১৮ অগস্ট- রবিবার, ২৪ অগস্ট- চতুর্থ শনিবার, জন্মাষ্টমী, ২৫ অগস্ট- রবিবার। মাঝে কয়েকটা দিন ছুটি ম্যানেজ করে ফেললেই কার্যত মাসে যে কোনও একটা ছুটিতে লম্বা কোনও প্ল্যান বানিয়ে ফেলতে পারেন। বিশেষ করে তো ব্যাংক কিংবা সরকারি কর্মীরা তো বটেই।

কিন্তু এই ছুটির ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ। কারণ বন্ধ থাকবে ব্যাংক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি দফতর। ফলে হঠাত কোনও কিছুর দরকার হলে সমস্যায় পড়তে পারেন। বিশেষ করেন এটিএমগুলিতে টাকা পাওয়া নিয়ে একটা অনিশ্চিয়তা রয়েছেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।