মুম্বই: গোটা পৃথিবী জুড়ে ব্যাংক অফ আমেরিকা তার কর্মীদের প্যানডেমিক বোনাস দিচ্ছে। এর ফলে দুনিয়াজুড়ে ১.৭ লক্ষ কর্মীরা এই বোনাস পাবেন যাদের মধ্যে রয়েছে ভারতে থাকা ২৪,০০০ কর্মী। এই অতি মহামারীতে ঠিক মতো কাজ করার জন্য তাদের প্রত্যেককে নগদে ৭৫০ ডলার দেওয়া হচ্ছে যাদের বার্ষিক বেতন এক লক্ষ ডলারের কম । ব্যাংকের হিসাব অনুসারে তাদের ৯৭ শতাংশ কর্মী এই এককালীন ক্যাশ বোনাস পাবে।

একটি ইন্টার্নাল মেমো সারা বিশ্বের সকল কর্মীদের কাছে পাঠানো হয়েছে ব্যাংক অফ আমেরিকার পক্ষ থেকে। তাতে এই ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ ব্রায়ান ময়নিহান জানিয়েছেন, ম্যানেজমেন্ট এর পক্ষ থেকে কর্মীদের প্রশংসা করা হয়েছে এই প্রতিকূল সময় তাদের পারফরমেন্সের জন্য। এর পাশাপাশি বোর্ড ঠিক করেছে কর্মীদের কম্পেন্সেশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার।

২০২১ সালে প্রথম ত্রৈমাসিকে এই ব্যাংকের সকল কর্মী যাদের বার্ষিক মোট বেতন এক লক্ষ ডলারের কম তাদের প্রত্যেককে ৭৫০ ডলার করে দেওয়া হবে। ব্যাংক অফ আমেরিকার কর্তা জানিয়েছেন, এই নগদ অর্থ ফেব্রুয়ারি মাসে হাতে পেয়ে যাবে সেইসব কর্মীরা যারা আমেরিকায় রয়েছেন। আর যারা আমেরিকার বাইরে রয়েছেন তারা মার্চ মাসে এটা পেয়ে যাবেন।

তাছাড়া তিনি উল্লেখ করেছেন, এছাড়া ১০০০ ডলার ক্যাশ অ্যায়ার্ড এবং স্টক অ্যায়ার্ড দেওয়া হবে ২০১৭,২০১৮ এবং ২০১৯ সালে চতুর্থ ত্রৈমাসিকের জন্য। ব্রায়ান ময়নিহান আশা করছেন, ৯৭ শতাংশ কর্মী যাদের তিনি টিমমেট বলে সম্বোধন করেছেন তারা এই অ্যায়ার্ড পাবেন। তাছাড়া যাদের বার্ষিক বেতন এক লক্ষ ডলার থেকে পাঁচ লক্ষ ডলার তারা পাবেন ১৫০-৭৫০ নিয়ন্ত্রিত স্টক ইউনিট তাদের বার্ষিক বেতনের উপর নির্ভর করে। এই স্টক অ্যায়ার্ড ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে দেওয়া হবে চারটি সমান ভাগে ভাগ করা পেমেন্ট এর মাধ্যমে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।