চেন্নাই: দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক সংযুক্তিকরণের। দশটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চারটি ব্যাংকে পরিণত করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। যার ফলে অনেকেই চাকরি চলে যাওয়ার আশঙ্কা ভুগছিলেন। তবে সেই চিন্তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে ব্যাংক সংযুক্তিকরণের সিদ্ধান্তে যেন কোনভাবেই একজন কর্মচারীরও চাকরি না যায়, সেই দিকটির দিকে নজর রাখার জন্য।”

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিভিন্ন মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে। অল-ইণ্ডিয়া ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এই ঘোষণার পর জানিয়েছেন, সংযুক্তিকরণের ফলে ব্যাংকগুলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে যার ফলে বহু মানুষ চাকরি হারাতে পারেন।

দেশের যেসব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক, ওরিয়েন্টাল ব্যাংক অব কমার্স ও ইউনাইটেড ব্যাংক। এছাড়াও কানাড়া ব্যাংক, সিন্ডিকেট ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, অন্ধ্র ব্যাংক, কর্পোরেশন ব্যাংক, ইন্ডিয়ান ব্যাংক, এলাহাবাদ ব্যাংকও রয়েছে ওই তালিকায়। ফলে ২৭ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির সংখ্যা কমে দাঁড়াল মাত্র ১২।

ইতিমধ্যেই বিরোধীরা বলছে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যাংকের বেসরকারিকরণের পথে হাঁটতে চাইছে। গত বছরই বিজয়া ব্যাংক ও দেনা ব্যাংকের সংযুক্তিকরণের পক্ষে সায় দেয় কেন্দ্র৷ এই দুটি ব্যাংক মিশে যায় ব্যাংক অফ বরোদায়৷ ২০১৯ সালের পয়লা এপ্রিল থেকে এই নির্দেশ জারি করা হয়৷ ২০১৭ সালে স্টেট ব্যাংক অফ ইণ্ডিয়া এর পাঁচটি শাখা ব্যাংকের সংযুক্তিকরণ ঘটায়৷ এর মধ্যে ছিল ভারতীয় মহিলা ব্যাংকও৷