স্টাফ রিপোর্টার,পুরুলিয়া: মোবাইল কলের মাধ্যমে ৪০ হাজারের বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল পুরুলিয়ায়। বিমা সংস্থার নাম করে ভুয়ো ফোনে এক যুবকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷

ওই যুবক পুরুলিয়ার কোলিয়ারি নিতুড়িয়া এলাকার আমডাঙ্গার বাসিন্দা৷ তাঁর নাম সুভাষকুমার সিনহা৷ তাঁর দাবি, ৪০,৭২১ টাকা তাঁর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে৷ তিনি এ নিয়ে নিতুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: এই মাস থেকেই বাড়তি বেতন হাতে পাবেন সরকারি কর্মীরা!

কিন্তু ঘটনার পর এক মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও ওই প্রতারক চক্রকে ধরতে পারেনি পুলিশ। ফলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত ওই যুবকের একটি বেসরকারি সংস্থায় বিমা রয়েছে। এর জন্য তিনি বছরে ৪০,৭২১ টাকা করে প্রিমিয়াম দেন। এ বছর তাঁর প্রিমিয়াম দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ওই যুবকের কাছে ৮৯৭৯২৭৫৩৫৯ নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। সেই ফোনে ওই সংস্থার নাম করে তাঁর পলিসি নম্বর-সহ সমস্ত বিবরণ জানানো হয়। সেই সঙ্গে একটি ক্যাশব্যাকের কথা বলা হয়। তাঁকে বলা হয় ফ্রেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে প্রিমিয়াম জমা করলে দশ শতাংশ ক্যাশ ব্যাক পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: ভুয়ো টাকা ও নকল স্মার্টফোন বিলি করে অভিনব প্রতিবাদ

এই লোভনীয় অফারে ওই যুবক রাজি হয়ে গেলে তাঁকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া হয়। সেখানে তাঁর প্রিমিয়ামের টাকা দিতে বলা হয়৷ তিনি তা দিয়েও দেন। এরপর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই সংস্থা তাঁকে ফোন করে জানতে চান, কেন তিনি এখনও তার বার্ষিক প্রিমিয়ামের টাকা দেননি। এই কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েন ওই যুবক। তিনি তখন গোটা বিষয়টি ওই বিমা সংস্থার আসানসোল কার্যালয়ে গিয়ে জানান। বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

তারপরই তিনি নিতুড়িয়া থানায় ওই মোবাইল নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে এফআইআর করেন। মোবাইল কলে এই প্রতারণা এড়াতে পুলিশ ও বিভিন্ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বারবার নানাভাবে সচেতনতা করলেও প্রতারণার ফাঁদ থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে পারা যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবেই পুরুলিয়া-বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলিতে এই অপরাধ ভীষণভাবে বাড়ছে।

আরও পড়ুন: চোখের নিমেষে ধূলিসাৎ বহুতল, ভিডিও দেখলে চমকে যাবেন

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।