স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : পুলিশের কনস্টেবলের চাকরিতে বাংলা লিখতে পড়তে বলতে জানতেই হবে। বাংলারদাবী এটাই দাবি করেছিল। সেটা শেষ পর্যন্ত সফল এতেই খুশি এই সংগঠন। পাশাপাশি ব্যাঙ্কে বাংলা পরিষেবা নিয়ে আরবিআইতে ডেপুটেশন দিল এই সংগঠন।

বাংলার দাবীর পক্ষে দীপাঞ্জন বলেন , ‘কেবল একটা আইন চাই, বাংলার ১০০% মানে সব চাকরিতেই, বিশেষত গ্রাহকের সাথে আদানপ্রদান হওয়া চাকরিতে, এসেনশিয়াল ক্রাইটেরিয়া থাকতে হবে, বাংলা লিখতে পড়তে বলতে জানা বাধ্যতামূলক। তাহলেই বাঙালি পাবে সেই চাকরি, অথবা এমন কেউ পাবে যে জন্মগ্রত না হলেও, মানসিকতায় বাঙালি। এটা সময়ের দাবী।’ সম্প্রতি এই সংগঠনই ‘ব্যাঙ্কে বাংলা পরিষেবা’ কর্মসূচী নিয়েছিল। আক ২১শে জানুয়ারী ২০২১ সকাল ১১টায় বাংলারদাবী যায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জোনাল অফিসে ডেপুটেশন জমা দিতে। দীপাঞ্জন বলেন , ‘বাংলার মাটিতে বাংলায় পরিষেবা দিতেই হবে সকল ব্যাঙ্ককে। ২০টি ব্যাঙ্কের রিজিওনাল অফিসে সব মিলিয়ে ২৪টা ডেপুটেশন দেওয়ার পর, এটা আমাদের সর্বশেষ ব্যাঙ্কে সর্বশেষ ডেপুটেশন ও রিপোর্ট জমা, যা আমরা দিলাম আরবিআইতে।’

পূর্ব প্রতিস্তুতি মতো বাংলারদাবী বৃহস্পতিবার ২০টি ব্যাঙ্কের ডেপুটেশন কপি জমা দিতে আরবিআই গিয়েছিল। বাংলারদাবী পক্ষে জানানো হয়েছে, ‘ আরবিআই সাধারণতন্ত্র দিবসের কাজের চাপের কারণ দেখিয়ে জুনিয়র একজনের সাথে কথা বলান জানানো হয় উচ্চপদস্থ কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলে কিছুদিন পর ফিরে আসতে হবে অথবা এনাদের কাউকে ২০টি ব্যাঙ্কের ডেপুটেশন কপি দিয়ে যেতে হবে। ‘

এতে বাংলার দাবী রাজি হয়নি, সদস্যরা জানায় তাঁরা নিজ নিজ অফিস থেকে ওইদিন ছুটি নিয়ে এসেছেন এই দাবী জানাতে। কাজ অসম্পূর্ণ করে তাঁরা যাবেন না। তাই ওই জুনিয়র স্টাফকেই বাঙলার দাবী চিঠি একটি চিঠি দেয়, এবং ফের ফিরে এসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়, যাতে তাঁরা পদস্থ আধিকারিকের সাথে কথা বলতে পারে আর এবং ২০টি ব্যাঙ্কের জোনাল অফিসে দেওয়া ডেপুটেশনগুলোও ওনাদের কাছে জমা দিতে পারে।

বাংলার দাবী একটি অরাজনৈতিক বাংলা ভাষাধিকারের মঞ্চ। কোনও মিছিল, স্লোগান, সভা নয়, বরং বাংলায় পরিষেবা, পরীক্ষা, টেন্ডার, বাঙালির চাকরি, ডোমিসাইল ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক, এগুলোই আমাদের লড়াইয়ের পথ। ‘পরিষেবায় বাংলা’ বিভাগটি সকল পরিষেবায় বাংলা আনার কর্মসূচী নেয় একে একে। ‘চাকরি পরিষদ’, বাঙালির জন্য এই পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক চাকরির খবরাখবর দেয়, নানান রকম ট্রেনিং দেয় কেরিয়ারের ও ব্যবসার উদ্দ্যেশ্যে। ‘বাঙালি ব্যবসায়ী পরিষদ’ বাঙালি ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্কিং, নতুন ও পুরনো ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ব্যবসায় সাহায্য ও গাইড করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।