কলকাতা : বাঙলায় ব্যবসা করতে হলে বাংলা ভাষায় পরিষেবা দিতে হবে, এই দাবিকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহর কলকাতার প্রাণ কেন্দ্র ধর্মতলায় বাংলা পক্ষের তরফে শনিবার ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ডে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা ‘বর্ণপরিচয়’ বিলি করল বাংলাপক্ষ।

তাঁদের দাবী , ‘ধর্মতলা অঞ্চল পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে হলেও সেখানে বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেওয়া হয় না। বাঙলায় থাকতে হলে বাঙলায় পরিষেবা দিতে হবে, তাই ‘বর্ণপরিচয়’ বিলি করে এলাকার বাংলা বলতে না পারা ব্যবসায়ীদের বাংলা ভাষা শেখার বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করছে বাংলাপক্ষ।’

এর আগে রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজের ট্রেনিং সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক–শিক্ষিকাদের ট্রেনিং বাংলাতেই দিতে হবে। এই দাবি তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাপক্ষ। এর পাশাপাশি বাংলা পক্ষের আরও অভিযোগ ছিল নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে বাংলায় প্রার্থী হতে গেলে অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে হিন্দি অথবা ইংরেজির মাধ্যমেই তা জমা দিতে হবে। বাংলাতে আবেদন করার কোনও অপশন রাখা হয়নি।

নির্বচন কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তে গর্জে উঠেছে বাংলা পক্ষ। বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বাঙালিদের অধিকারের জন্য তাঁরা লড়াই করে চলেছে। তাঁদের জানিয়েছিল, ‘নির্বাচন কমিশন কি চাইছে বাঙালিরা ভোটে লড়বে না?‌ শুধুমাত্র হিন্দিভাষীরাই লড়াই করবে বাংলার ভোটে। কমিশন যদি এমনটাই ভেবে থাকে তাহলে সেই ভাবনাকে ধিক্কার জানাই। ‌কমিশনের তরফে ভোটের ট্রেনিং দেওয়ার ক্ষেত্রেও হিন্দি এবং ইংরেজিতেই ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে অধিকাংশ জায়গায়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সরকারি কর্মচারীরা এবং স্কুল কলেজের শিক্ষক–শিক্ষিকাদের তরফে ১০৩৪ টি অভিযোগ এসে জমা পড়েছে বাংলা পক্ষের কাছে। বাংলার দাবি জানালে ‘‌বাংলাদেশী’‌ তকমাও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই বাংলা পক্ষের একটাই প্রশ্ন নির্বাচন কমিশন কি তাহলে সত্যিই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী হয় উঠল।’

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সে বহু বছর ধরেই বাংলা রঞ্জি ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার সুযোগ পায় না। বিগত বছর তিনেকের বেশী সময় ধরে শাহরুখের দল বাংলার কোনও ক্রিকেটারের হয়ে বিডে অংশই নেয় না। অথচ ঈশান পোড়েল, ঋদ্ধিমান সাহাদের অন্য দলের হয়ে খেলতে দেখা যায়। এই নিয়েও রণে নামে বাংলাপক্ষ। শুধু কেকেআরে বাংলার ক্রিকেটার নয় সঙ্গে রঞ্জি দলে বাঙালি ক্রিকেটার কম সুযোগ পাচ্ছে এমন অভিযোগ নিয়ে তাঁরা ইডেনে গিয়ে ক্ষোভ দেখায়।

বাংলাপক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি জানিয়েছিলেন , ‘আমাদের দাবি, ১. IPL কলকাতা নাইট রাইডার্স টিমে ব্রাত্য বাংলার বাঙালি ক্রিকেটাররা। কেন? বাঙালি ক্রিকেটার না নিলে ইডেনে খেলা যাবে না এবং টিমের নাম থেকে ‘কলকাতা’ সরাতে হবে। ২. বাংলার রঞ্জি টিমে ১১ জন প্লেয়ারই বাংলার ভূমিপুত্র হতে হবে। ৩. রঞ্জি দল বাছাইয়ের জন্য জেলা ভিত্তিক টুর্নামেন্ট করতে হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।