কলকাতা : পিয়ার্সন মেমোরিয়াল হাসপাতালের বোর্ডে বাংলা না থাকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাপক্ষ। যা বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের অধীনস্থ। কার্যত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বাংলাপক্ষের এই অভিযোগ যে বাংলার বুকে এমন হাসপাতাল অথচ সেখানে বাংলার কোনপ স্থান নেই।

তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, ‘সম্প্রতি আমাদের নজরে এসেছে আপনার প্রতিষ্ঠানের অধীনস্ত পিয়ার্সন মোমোরিয়াল হাসপাতালের কোন নির্দেশক বোর্ডে বাংলা ভাষা নেই , শুধুমাত্র ই‌ংরাজীও হিন্দি। এই হাসপাতাল বিশ্বভারতীর কর্মী ছাড়াও স্থানীয় অধিবাসীদের চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে থাকে, যাঁরা মূলত সবাই বাঙালি , তাঁদের ভাষা বাংলা। বাংলার মাটিতে এমন একটি হাসপাতাল যার সঙ্গে বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে সেখানে বাংলা ভাষায় পরিষেবা না পাওয়া লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়।’ তাঁরা আরও জানিয়েছেন , ‘সমগ্র বিশ্বভারতীতে যেভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেতনার সঙ্গে তাঁর মাতৃভাষাকেই মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে, এই ঘটনাও সেই নিন্দনীয় আগ্রাসনের ফলশ্রুতি বলেই আমরা মনে করছি। আমরা ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষের বীরভূম জেলা শাখা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করছি ও অবিলম্বে এই অন‍্যায় সংশোধন করে বাংলা ভাষা ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি। অন‍্যথায় বাংলা পক্ষ বৃহত্তর আন্দোলন করতে বাধ‍্য হবে। আশা করি আপনি বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে উপযুক্ত ব‍্যবস্থা করবেন ও ভবিষ‍্যতে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেই বিষয়ে সচেষ্ট থাকবেন।

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরাতেও ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাপক্ষে বাঙালি আন্দোলন। তাঁদের জনসভায় হাজির হল ৩০ হাজার মানুষ। সেখান থেকেই ত্রিপুরায় বাঙালি বাঁচাওয়ের মাধ্যমে আন্দোলনের ডাক দিল বাংলাপক্ষ। জনসভায় কৌশিক মাইতি বলেন , ‘ত্রিপুরায় বাঙালি উদ্বাস্তু হচ্ছে, উৎখাত করা হচ্ছে। আশ্রয় শিবিরে আছে অনেকে। বাঙালি বিরোধী ব্রু চুক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। গত ২১ নভেম্বর বাঙালির আন্দোলনে ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস গুলি চালিয়েছে, শ্রীকান্ত দাস শহীদ হয়েছেন। পা কাটা গিয়েছে হরেকৃষ্ণ দাসের। বাঙালি দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে একসাথে লড়ছে, লড়বেও। ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর ৫০০ বাঙালি ঘর ছাড়া হওয়ার পর কাঞ্চনপুর নাগরিক সুরক্ষা মঞ্চের নেতৃত্বে লড়ছে। আমরা বাংলা পক্ষ একসাথে লড়ছি। শ্রীকান্ত দাস মারা যাওয়ার পর বাংলা পক্ষ হলদিয়ায় বিরাট মিছিল করেছে, কলকাতায় ত্রিপুরা ভবন অভিযান করেছে। আমাদের দাবী বাঙালিকে বাংলাদেশী বলা যাবে না বাঙালিকে মারা যাবে না ত্রিপুরা, বাংলা, আসাম সব বাঙালি এক হচ্ছে। আগামী দিনে তা আরও শক্তিশালী হবে।’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।