খুলনা: আশঙ্কাজনক হারে করোনাভাইরাস ছড়াতে শুরু করেছে বাংলাদেশের সর্বত্র। আগেই সৈকত শহর কক্সবাজারে পর্যটনে রাশ টেনেছে সরকার। এবার পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া সুন্দরবনের সর্বত্র জারি হলো পর্যটক শূন্য করার নির্দেশ। সুন্দরবনের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বনবিভাগ।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন। এই বনাঞ্চল ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশের দিকে পড়ছে সুন্দরবনের বৃহত্তম অংশ। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় ছড়িয়ে এই বনভূমি। সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪পরগনা দুটি জেলায় বিস্তৃত সুন্দরবন।

করোনা সংক্রমণ ফের বিপজ্জনক হারে বাড়তে থাকায় আপাতত পর্যটন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জারি থাকছে। এমন জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মহম্মদ বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেন,হঠাৎ করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় আগামী ৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সুন্দরবনের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে চলেছে সেই রাজ্যের সরকার নির্বাচনের ভোটপর্ব। সুন্দরবন লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে বিরাট বিরাট ভিড় হওয়ায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা সেখানেও প্রবল। ভারতে ইতিমধ্যে নতুন করে করোনার বড়সড় সংক্রমণ হচ্ছে। তার মাঝে ভোট গ্রহণে চিকিৎসকরা চিন্তিত। পশ্চিমবঙ্গেও করোনার সংক্রমণ বাড়ছে।

বাংলাদেশ বনবিভাগ জানাচ্ছে, করোনার প্রথম ধাক্কা ও লকডাউন কাটানোর পর থেকে সুন্দরবনে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছিল। করোনার কারণে গত ২০২০ সালের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সুন্দরবন পর্যটন বন্ধ ছিল। গত নভেম্বরে পুনরায় সুন্দরবন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা সুন্দরবনে ঢুকছিলেন।ফের পর্যটন বন্ধ হওয়ায় স্থানীয়দের রোজগারে ফের ধাক্কা লাগতে চলেছে।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, শুক্রবার পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ১৫৫ জন। নতুন করে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৪৭৩ জন। সর্বশেষ হিসেবে মোট ৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১১ জন করোনা থেকে সুস্থ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।