ঢাকা: ভারতে করোনার ভয়ঙ্কর আক্রমণ চলছে। টিকা ও অক্সিজেন আকাল। এই অবস্থায় চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহ করতে পারছে না দিল্লি। পরিস্থিতি বুঝে প্রথমে রাশিয়া ও পরে চিনের টিকা নিতে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ সরকার।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের কয়েকটি ওষুধ কোম্পানির মাধ্যমে টিকা উৎপাদনে অনুমোদন দেওয়া হলো।অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে চিন ও রাশিয়ার টিকা বাংলাদেশে উৎপাদন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেসব কোম্পানির সঙ্গে ওই দুটি দেশের চুক্তি হবে তারা টিকা উৎপাদন শুরু করবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার জানান, রাশিয়ার স্পুটনিক-৫ (স্পুটনিক ভি) এবং চিনের সিনো ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আপাতত নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যখন চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে ওষুধ কোম্পানির চূড়ান্ত চুক্তি হবে তখন অর্থ ছাড়ের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে টিকার জন্য প্রথমে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। তবে চুক্তি অনুযায়ী ভারত টিকা রফতানি করতে না পারায় চিন ও রাশিয়ার টিকা আনার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে ভারতের কাছ থেকে তিন কোটি ডোজ টিকার মধ্যে এখন পর্যন্ত দু দফা চালানে ৭০ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ভারতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ফলে রফতানি নিষেধাজ্ঞার জেরে টিকা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে বাংলাদেশ। ভারত থেকে টিকা পাওয়া নিশ্চিত নয়, তাই বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন করোনাভাইরাসের টিকা পেতে চিনের উদ্যোগে ‘এমারজেন্সি মেডিকেল স্টোরেজ ফেসিলিটি ফর কোভিড ফর সাউথ এশিয়া’- মঞ্চতে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি জানান, এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম উদ্যোক্তা চিন। বাকি দেশগুলি হলো বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। বিদেশমন্ত্রী বলেন, এই ছ’টি দেশের বিদেশমন্ত্রীরা দীর্ঘ আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে ভারতকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.