নয়াদিল্লি: রাজ্যের একাধিক মাদ্রাসায় চলছে জঙ্গি কার্যকলাপ। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষত বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদের মাদ্রাসায় এই ধরনের কার্যকলাপ চলছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক করতে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

২০১৪-র অক্টোবরে, বর্ধমানে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে বাংলাদেশি জঙ্গিদের যোগ পাওয়া যায়। ঘটনায় সাকিল গাজী নামে একজনের মৃত্যু হয়। এনআইএ সই বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত করে। গোয়েন্দারা জানতে পারে যে, ওই ঘটনায় যুক্ত ছিল জেএমবি। এরপর বিহারের বোধ গয়ায় আরও একটি বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানেই জড়িত ছিল এই জেএমবি।

গোয়েন্দাদের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় জেএমবি ক্যাম্প তৈরি করেছে। এমনকি সেইসব ক্যাম্পে পাক জঙ্গি লস্কর-ই-তইবার উপস্থিতিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা।

শুধু জঙ্গিরা ওইসব ক্যাম্পে লুকিয়ে নেই। সেখানে চলছে রিক্রুটমেন্টের কাজও। মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে তারা। নেটওয়ার্ক রয়েছে অসমের মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকাতেও। এইসব জায়গায় মাদ্রাসা ও মসজিদগুলিতে রিক্রুটমেন্টের কাজ চলে বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার সাংসদদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে লিখিত জবাবে এইসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার বোধ গয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেও জামাত-উল-মুজাহিদীনের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।