স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট : বিএসএফের চোখে ধুলো দিয়ে চোরাপথে এদেশে প্রবেশ বাংলাদেশী দুষ্কৃতীদের।

এপারের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে যোগসাজশে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে ব্যাংকের এটিএম ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান অথবা কোন বাড়িতে বড়সড় ডাকাতির পরিকল্পনা ছকে ফেলেছিল তারা। ডাকাতির আগেই তাদের সেই ছক বানচাল করে দিতে সফল হল বালুরঘাট থানার পুলিশ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জাতীয় সড়কে নাকা চেকিংএ সশস্ত্র অবস্থায় ১১ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে মোঃ শাহাদাত হোসেন মোঃ তাহিদুল ইসলাম হেফজুল ইসলাম মোঃ আনিকুল হোসেন মোঃ আব্দুল হালিমের বাড়ি বাংলাদেশে নওগাঁ জেলার সাফাহার থানার পাতারি এলাকায়।

বাকি মোঃ ইয়াকুব আলী মতিবুল হক সাদেক আলী আফজাল আলী জিয়াবুল হক তাফাজুল হকের বাড়ি এপাড়ের তপন থানার চকশুকদেবপুর এলাকায়। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র সহ বাংলাদেশি ও ভারতীয় টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতদের বালুরঘাট আদালতে হাজির করানো হলে প্রত্যেকেরই জামিনের আবেদন নাকচ হয়েছে।

দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবর্ষী দত্ত জানিয়েছেন, মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে তারা ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংবদ্ধ হয়েছিল। নাম্বার বিহীন একটি ম্যাজিক গাড়িতে ঘুর পথে বালুরঘাটে প্রবেশ করছিল।

গোপনসূত্রে এই খবর পাওয়া মাত্রই বালুরঘাট থানার পুলিশ হিলি-গাজোল ৫১২ নং জাতীয় সড়কের ল’কলেজ মোড়ের নিকট নাকাচেকিং-এর মাধ্যমে গাড়িটি আটকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ধৃতদের ৩ জনকে সোমবার আদালতের নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বালুরঘাটের কোথায় ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল তাদের সেব্যাপারে তদন্ত চলছে বলেও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।