ঢাকা: বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বন্দি ‘সরকারের সমালোচক’ লেখকের মৃত্যুর জেরে ছাত্র বিক্ষোভে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। অভিযোগ, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকার দমন নীতি চালাচ্ছে। প্রতিবাদী ছাত্র সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। পুলিশের টিয়ারগ্যাস চার্জের ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া জখম।

শুক্রবার সন্ধে থেকে ছাত্র পুলিশ সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর ও শাহবাগ এলাকা রণক্ষেত্র। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের মশাল মিছিলে পুলিশ বিনা প্ররোচনায় টিয়ার গ্যাস চার্জ করেছে। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে জখম হয়েছেন কয়েকজন পুলিশকর্মীও। পরিস্থিতি ঘিরে শুক্রবার সন্ধে থেকে ঢাকা শহরে চূড়ান্ত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পুলিশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় মুখ খুলেছেন অনেকে। অধিকাংশ মানুষজনই পুলিশের বিরুদ্ধে নির্মমতার অভিযোগ এনেছেন।

গত ১১ জানুয়ারি ডিজিটাল‌ নিরাপত্তা আইনের মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুস্তাক আহমেদ ও রাষ্ট্রচিন্তার কর্মী দিদারুল ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব ছড়িয়েছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মামলা চলছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এই মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় মুশতাক আহমেদের মৃত্যু হয়। এর জেরে সরকার প্রবল অস্বস্তিতে। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে প্রতিবাদ। একাধিক দেশের রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ জানিয়েছেন।

লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। লেখক মুস্তাকের জেলের ভিতরেই মৃত্যু নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা। এই সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের আহ্বানে শুক্রবার সন্ধে থেকে শাহবাগ এলাকা উত্তেজনাপূর্ণ।

বিক্ষোভ মিছিলের সময় পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়েন নেতাকর্মীরা বলে অভিযোগ। প্রথমে পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। পরে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এর জেরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর আগে ২০১৮ সালে কোটা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.