প্রতীকি ছবি

কলকাতা: গোটা বিশ্ব জুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। ক্রমেই ভয়াবহ থেকে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করছে মারণ করোনা। ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা। করোনা মোকাবিলায় এদেশে একটানা ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা হয়েছে। গত ২৫ মার্চ থেকে ২১ দিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ভারতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এরই জেরে ঘোরসতর সমস্যায় পড়েছেন এই মুহূর্তে ভারতে আটকে থাকা প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি।

চলতি বছরের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার করতে থাকে করোনা ভাইরাস। সর্বরপ্রথম চিনেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার হদিশ মেলে। পরে একে একে আমেরিকা, স্পেন, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, ইরান, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই মারণ ভাইরাস। এদেশে এখনও পর্যন্ত ২৫৪৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারণ এই ভাইরাসের আক্রমণে এখনও পর্যন্ত দেশে ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় লকডাইন ছাড়া বিকল্প আরও কোনও পথ নেই। আর তাই মারণ এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশ্বের একাধিক দেশে চলছে লকডাউন। ভারতেও চলছে লকডাউন।

এই মুহুর্তে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষা, চিকিৎসা ও বেড়াতে এসে আটকে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বিভিন্ন কারণে ভারতে গিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশেরই সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রতিবছর বিভিন্ন কারণে ভারতে আসেন। এই মুহূর্তে ভারতে পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় দেশে ফিরতে পারছেন না তাঁরা।

এদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। আটকে পড়া বাংলাদেশিদের আর্থিক বা অন্য কোন সমস্যা হলে হাইকমিশনের তরফে সহযোগিতা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ হাই কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা ব্যাপারে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করবে বাংলাদেশ সরকার।