ঢাকা: ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে বাংলাদেশ সরকার পালন করছে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলিতেও একই নিয়ে পালিত হচ্ছে শোক দিবস।

প্রণববাবুর প্রয়াণের পরেই বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় রাষ্ট্রীয় শোক পালনের। সেই মতো মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে ২ সেপ্টেম্বর (আজ) বাংলাদেশে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।

উপলক্ষে বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।’

ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় সোমবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। জাতীয় কংগ্রেস নেতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি প্রণববাবু যখন যেমন ভূমিকায় ছিলেন, বাংলাদেশ তাঁর হৃদয়ে।

১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশ তৈরির জন্য মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রণববাবু তদানীন্তন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অন্যতম কূটনৈতিক দূত হিসেবে কাজ করতেন। পরে বাংলাদেশ তৈরি হলে বিভিন্ন সময়ে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে সপরিবারে খুন করা হয়। তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানকে ভারত সরকার রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। তাঁরা নয়াদিল্লি তে থাকার সময় প্রণব মুখোপাধ্যায় ছিলেন অভিভাবকের ভূমিকায়।

প্রণব মুখোপাধ্যায় ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে নানা সময় এদেশের মানুষের পাশে ছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে তাঁকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ দেওয়া হয়।

বিবাহ সূত্রে ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জামাইবাবু। তাঁর স্ত্রী শুভ্রা মুখোপাধ্যায় ছিলেন বাংলাদেশের নড়াইলের বাসিন্দা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।