ঢাকা: বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান কে সপরিবারে খুনের ৪৫ তম বর্ষপূর্তীর আগেই ষরকারের কঠোর সমালোচনা বিরোধী বিএনপির।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলে়ছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও আইসিটি আইন সংবিধানের বিরোধী। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এই আইন করেছে।

শুক্রবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন।২০১৮ সাল থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর রয়েছে। গত ছ মাসে ১২ জন সাংবাদিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জন্য সাংবাদিকেরা স্বাধীনভাবে লিখতে পারছেন না।

বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, মামলাগুলোর মূল অভিযোগ হল ব্যক্তির মানহানি, আক্রমণাত্মক মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন কিংবা রাষ্ট্রের তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ করা, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।

তিনি বলেন,এই সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিনিয়ত কীভাবে বিরোধীদলীয় কিংবা ভিন্নমতাবলম্বীদের সম্মানহানি করছে। কীভাবে আক্রমণাত্মকভাবে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করছে। কীভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের সুনাম আজ বিশ্ব দরবারে দুর্নীতির সূচকের তলানিতে। এই সরকারের নেতা-কর্মীদের করোনা সার্টিফিকেট বিক্রির কারণে ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কোনো ব্যক্তিকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। নিউইয়র্ক টাইমসে নেতিবাচক প্রবন্ধ হয় বাংলাদেশকে নিয়ে। মানবাধিকার লংঘনের শীর্ষ দেশগুলোয় বাংলাদেশ উঠে আসে।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি কখনো ক্ষমতায় এলে যেসব আইন মানুষের অধিকার খর্ব করে, মানুষের বাক্ ও চিন্তার স্বাধীনতা হরণ করে, সেসব অবশ্যই বাতিল করবে।

তিনি আরও বলেন, হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে ৬৩টি। ২০১৮ সালে ডিজিটাল আইনে ও আইসিটি অ্যাক্ট মিলে মামলা হয়েছে ৭১টি। অন্যদিকে, ২০২০ সালের ২২ জুন পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে ১০৮টি। এসব মামলায় আসামি ২০৪ জন। তাঁদের মধ্যে সাংবাদিক ৪৪ জন। অন্যান্য পেশায় কর্মরত ও সাধারণ মানুষ ১৬০ জন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা