ঢাকা: প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের প্রয়াণে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। একাধিক বাসে আগুন ধরানোর ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশের ধারণা, উপনির্বাচনে অশান্তি ছড়ানোই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এদিকে দিনভর দফায় দফায় একের পর এক বাসে আগুন ধরানোর ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ঢাকায়।

ক্ষমতাসীন দল আএয়ামী লীগের অভিযোগ, এই হামলার পিছনে বিএনপি ও তাদের সহযোগী জামাত ইসলামির ইন্ধন রয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি। তাদের দাবি, ভোট বানচাল করে দিতেই আএয়ামী লীগের আশ্রিত গুণ্ডাবাহিনি এই হামলা চালিয়েছে।

সকাল থেকেই উপনির্বাচন ঘিরে সন্ত্রস্ত ঢাকা। একের পর এক ছটি বাসে ভাঙচুর ও আগুন ধরানোর ঘটনা ঘিরে পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত। তারই মাঝে ভোট চলেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝে নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের জন্য কড়া স্বাস্থ্যবিধি ছিল। কিন্তু বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘিরে যুযুধান দুই পক্ষের চাপানউতোরে আরও উত্তেজনা ছড়ায়।

নির্বাচন শেষের পর গণনা শুরু হতেই পরস্পর বিরোধী শিবির আরও আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিতে চলেছে বলেই আশঙ্কা। ঢাকায় বিএনপি সদর কার্যালয়ের সামনে পুলিশ বিশেষ অবস্থান নিয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ব়্যাব বাহিনি। দফতরে আটকে বিএনপি শীর্ষ নেতারা।

সমর্থক ও কর্মীদের মধ্যে ছড়াচ্ছে উত্তেজনা। উপনির্বাতনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ছয় জন প্রার্থী। মূল লড়া আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ হাবিব হাসান বনাম বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের।

রয়েছেন সংসদের প্রধান বিরোধী দলের তকমা পাওয়া জাতীয় পার্টির নাসির উদ্দিন সরকার সহ আরও তিনজন। ফল ঘোষণার পর ফের সংঘর্ষ ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।