ফাইল ছবি

ঢাকা: কোরবানির ঈদের আগে থানায় বিস্ফোরণের ঘটনার দায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন নিয়েছে এমন দাবি মানতে নারাজ ঢাকা মহানগর পুলিশ। বুধবার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মিরপুরের পল্লবী থানায় কয়েকজন অপরাধীকে জেরার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে।

পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইট ইনটেলিজেন্স প্রকাশ করে আইএস জঙ্গি সংগঠনের বিবৃতি। এর জেরে নতুন করে আলোড়ন ছড়ায়। নড়চড়ে বসে সরকার। বিস্ফোরণের পিছনে জঙ্গি যোগ নেই বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।

বৃহস্পতিবার এই টালবাহানার মাঝে পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার তিনজনকে ১৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিল আদালত। ধৃতেরা ভাড়াটে খুনি। তাদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি ওজন মাপার যন্ত্র ছিল।

পুলিশের দাবি, ওই যন্ত্রের মধ্যে লুকিয়েছে রাখা আইইডি বিস্ফোরণ হয়েছে। সেই বিস্ফোরণের ধাক্কায় থানার দোতলার জানালার কাচ ভেঙে যায়। এতে ৪ জন পুলিশ সদস্যসহ ৫ জন জখম হয়েছেন। আদালতে পুলিশের তরফে ধৃতদের হেফাজতে রেখে জেরার আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।

এদিকে সাইট ইন্টেলিজেন্স বলছে, ইসলামিক স্টেট বুধবার ঢাকার একটি থানায় হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। সাইটের পরিচালকে রিটা কাটজ লিখেছেন, ঈদের আগে তাদের নতুন দফা হামলা প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ঢাকায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে আইসিসি দাবি করছে। ২০১৯ সালের অগাস্টের পর বাংলাদেশের রাজধানীতে আইসিসের এই প্রথম হামলা।

সম্প্রতি ঢাকা সহ বাংলাদেশের সর্বত্র জঙ্গি হামলার সতর্কতা জারি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের দাবি, তারা পুলিশ থানাকে টার্গেট করেছে। এর পরেই পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, কোনওভাবেই দেশে জঙ্গি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। জঙ্গি সংগঠনগুলির কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত শনিবার রাজধানীর আরও পল্টন এলাকা থেকে একটি বোমার মতো বস্তু উদ্ধার করা হয়। তার আগের দিন শুক্রবার একই এলাকায় একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।