ঢাকা: অবশেষে ঝুঁকি নিয়েই লকডাউন শিথিল করে সীমিত আকারে পণ্য বিপনন সংস্থাগুলি খোলার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ সরকার। বিভিন্ন নামী সংস্থা তাদের দোকান খুলছে।

এমনিতেই লকডাউন উপেক্ষা করেই দৈনন্দিন বাজারের ভিড় খেক্সং সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার বড় বড় সংস্থাগুলি কাউন্টার খুলে দেওয়ায় সেই ঝুঁকি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা। এর আগে কিছু গার্মেন্টস কারখানা খোলা হয়েছে।

রমজান চলছে, আসছে ঈদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, মানুষ যেন তার জীবন-জীবিকা চালাতে পারে সেজন্যই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের দেশব্যাপী ঘোষিত বন্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ শিথিল করা হচ্ছে।

লকডাউন শিথিল হলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে দ্রুত গতিতে, এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আগেই জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লকডাউন শিথিল করা মানে যে কোনও করোনা আক্রান্ত দেশে নতুন করে ভয়াবহ বিপদ নেমে আসবে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে করোনার সামাজিক সংক্রমণ চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের পিকটাইম, এমনই দাবি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৪ হাজারের বেশি আক্রান্ত। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৭ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে যা গত এক মাসে সর্বাধিক।

এরপরেও রবিবার থেকে লকডাউনের শিথিলতা জারি হওয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হতে যাচ্ছে। শুরু হয়েছে বিতর্ক।

তবে স্বাস্থ্যবিধি পালন করেই বহু বিপনী সংস্থা তাদের দরজা ফের উন্মুক্ত করেছে। কিন্তু রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশের করোনা হটস্পট। ৮০ শতাংশের বেশি আক্রান্ত ও মৃত এই বিভাগেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।