যশোর: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে টিকা বা ওষুধ এখনও বের হয়নি। বিশ্ব জুড়ে হামলা এই ভাইরাসের। মারণ ভাইরাসের প্রবল হামলার মুখে বাংলাদেশে চলছে লকডাউন। উঠছে নিয়ম ভাঙার বিস্তর অভিযোগ। এরই মাঝে অভিনব উদ্যোগ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের আনন্দবাগ গ্রামের। এই গ্রামে তৈরি হয়েছে করোনা প্রতিরোধক চেক পোস্ট । জীবাণুনাশক জল, স্প্রে নিয়ে এই চেকপোস্টের পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয়রা। বাইরে থেকে আনন্দবাগ গ্রামে ঢুকলেই চেকপোস্টে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যিনি আসছেন তাঁকে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিচ্ছন্ন করিয়ে তবেই ঢোকার অনুমতি দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

এই গ্রামটিতে ১৪০টি পরিবার। দু’ হাজারেরও বেশি মানুষের বাস। কেউ যাতে করোনায় আক্রান্ত না হন সেজন্য গ্রামটির সামনে জীবাণুনাশক চেকপোস্ট বসিয়ে লকডাউন করা হয়। করোনার প্রকোপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আনন্দবাগ গ্রামবাসীরী এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়েছেন। বাংলাদেশ করোনা হামলার ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে। এমন সতর্কতা আগেই দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু।

এদিকে দেশ জুড়ে লকডাউন করেছে সরকার। করোনা হামলার বিরুগ্ধে জয়ী হওয়ার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে লকডাউন ও কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম ভাঙাও চলছে দেদার। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছেই।যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে গত ৪৮ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণের খবর নেই।মৃতের সংখ্যা রবিবার দুপুর পর্যন্ত ৫ জন। অনেকেই সুস্থ হচ্ছেন। এসবের মাঝে ঝিনাইদহের আনন্দবাগ গ্রাম রীতিমতো নজির তৈরি করল। গ্রামের তিনটি প্রবেশপথ। সবকটি পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

প্রবেশদ্বারে বালতিতে পটাশ মিশ্রিত জল, স্যাভলন, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা রয়েছে। সাইন বোর্ডে লেখা রয়েছে করোনা মহামারি রোধে সাময়িকভাবে বাইরের লোক প্রবেশ নিষেধ। আনন্দবাগের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে গ্রামের বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।

তেমনিভাবে কেউ ওই গ্রামে প্রবেশ করতেও পারছেন না। জরুরি প্রয়োজনে কেউ গ্রামে প্রবেশ করলে সাবান দিয়ে তাদের হাত-পা ভালোভাবে ধুয়ে এরপর তাদের শরীরে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। এভাবেই জীবাণু মুক্ত ব্যক্তি গ্রামে ঢুকতে পারছেন। এই ঘটনার কথা ছড়িয়েছে পুরো বাংলাদেশেই। শুরু হয়েছে একই পদ্ধতিতে নিজ নিজ এলাকায় করোনা প্রতিরোধ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও