ঢাকাঃ   আজান নিয়ে বিতর্কিত টুইট করে বিতর্কের মুখে সংগীতশিল্পী সোনু নিগাম।

গত ১৭ এপ্রিল সকালে এক টুইটে তিনি লেখেন, ‌‘‘প্রতিদিন ভোরে আজানের ‘কর্কশ’ শব্দের কারণে ঘুম ভেঙে যায় তার।  এজন্য তিনি বিরক্ত হন।’’ এখানেই থেমে থাকেননি সোনু।  এরপর আরকেটি টুইটে তিনি বলেন, ‘মোহাম্মদের সময় তো বিদ্যুৎ ছিল না।  এখন মাইক্রোফোনে আজানের সুর অনেক কর্কশ।’  সোনু তার টুইটে আজানের ধ্বনিকে ‘জোর করে চাপিয়ে দেওয়া’ বলেও উল্লেখ করেছেন।  এহেন টুইটের পরেই বিতর্কের মধ্যে পড়েছেন প্রখ্যাত এই সঙ্গীত শিল্পী।  রাজনীতি থেকে সিনেমা জগতের অনেক মানুষই সোনু নিগমের এই মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছে।  এরই মধ্যে নয়া মাত্রা যোগ করলেন বাংলাদেশের গীতিকবি-সুরকার প্রিন্স মাহমুদ।  সোনুর এমন কাণ্ডে ফেসবুকে একটি তাৎক্ষণিক পোস্ট দেন।

  • পোস্টটি তুলে ধরা হলো-
    (পোস্টটি বাংলা ট্রিবিউন থেকে প্রাপ্ত)

বাচ্চারা তোমরা ইতিহাস জানো না। ১৪ বছর আগেই সনু নিগমের ক্যারিয়ার সিলগালা করে দিয়েছিল রাহাত ফতেহ আলী খান, শাফকাত আমানত আলী, আতিফ আসলাম, তারপর আমাদের জেমস।  সে বুঝে গিয়েছিল তার একঘেয়ে ছিঁচকাঁদুনে গলা আর কেউ শুনবে না।  পড়তি ক্যারিয়ারের ফ্রাস্ট্রেশনে তাই শেষ রাতে ভরপুর নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ইচ্ছেমতো লিখতে বসে যাওয়া ছাড়া তার আর কিবা করার আছে?

আজানের সুরকে অবমাননা করে টুইট, আলোচনায় আসার উপলক্ষ মাত্র। আর মাঝে মধ্যে উপলক্ষ বদলালেও তার ভেতরের সাম্প্রদায়িকতার তোরণ সরে না।

এরা কি আসলেই শিল্পী নাকি স্ট্যান্টম্যান!! সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প এরাই ছড়ায়… ইসলাম ছাড়াও অন্য ধর্মের প্রতি মমতা প্রদর্শন করে প্রিন্স মাহমুদ নিজের স্মৃতি থেকে ওই পোস্টে আরও লেখেন-

আমাদের বাড়ি খুলনা শহরের সবচেয়ে বড় গির্জার পাশে।  শুধু আজানের সুর নয় সন্ধ্যা-সকাল চার্চবেল আর আশেপাশের হিন্দু বাড়ি থেকে আসা উলুধ্বনিও আমাদের কাছে শ্রেষ্ঠ সুর বলেই মনে হয়।

- Advertisement -