ঢাকা: নিয়ন্ত্রণের রাশ কি আলগা হচ্ছে আওয়ামী লীগের সর্বচ্চো নেতৃত্বের? গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের এমন রক্তাক্ত বহি:প্রকাশ সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি সরকারে থাকা দলের। একেবারে গুলির লড়াই চলেছে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের এই রণক্ষেত্র হলো নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ। অন্তত ৯ জন গুলিবিদ্ধ। আহত সাংবাদিক। সর্বমোট ৫০ জন জখম।

আওয়ামী লীগের দুই গোষ্ঠী দলীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’ বলে একে অপরের দিকে তাড়া করেছে। এক গোষ্ঠীর নেতা আওয়ামী লীগেরই সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই তথা কেম্পানিগঞ্জের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। অন্যপক্ষ হলো অপর প্রভাবশালী নেতা মিজানুর রহমান বাদল।

আওয়ামী লীগের এই দুই গোষ্ঠীর গুলির লড়াইয়ের ঘটনায় নোয়াখালী ছাড়িয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র তীব্র রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়। দু’পক্ষের সংঘর্ষে জখম ন’জনের মধ্যে সাতজন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দু’জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ঢাকায় এনে চিকিৎসা করা হচ্ছে। এদের নাম
বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির (৩০) ও কামাল উদ্দিন (৬০)।

সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এতে আরও উত্তেজনা ছড়ায়। দেশে জন নিরাপত্তা বলে কিছু নেই, এমনই অভিযোগ অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির। ঘটনার কেন্দ্র নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ। জানা গিয়েছে, মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বৃহস্পতিবার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙে দেন। এর ফলে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়।

শুক্রবার বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে এলাকায় মিছিল শুরু হয়। অভিযোগ, ওই মিছিল থেকে সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য করা হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হন তাঁর ভাই কাদের মির্জা। শুরু হয় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় আওয়ামী লীগেরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গুলি বিনিময় হয়েছে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, কাদের মির্জার সঙ্গে মিজানুর রহমান বাদলের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিয়ে শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়েছে। এতে বেশকিছু লোক আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।