India & Bangladesh

ঢাকা ও কলকাতাঃ ভারতে করোনা সংক্রমণ এখনও তীব্র। সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গেও উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের তরফে ‘উপহার’ স্বরূপ করোনা প্রতিষেধক, স্যানিটাইজারের দ্বিতীয় চালান পাঠানো হয়েছে ভারতে।

মঙ্গলবার কলকাতায় বাংলাদে ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান ওষুধ ও ইনজেকশন চালান গ্রহণ করেন। ভারতীয় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কাছে সেসব হস্তান্তর করেন।

বাংলাদেশ থেকে করোনা প্রতিরোধী ইনজেকশন, ক্যাপসুল, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ ১৮ প্রকারের ওষুধ যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পাঠানো হয়। সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোলে পৌঁছায় সেই চালান। শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে করোনা চিকিৎসার ওষুধ ও ইনজেকশন পাঠিয়েছে বলে জানানো হয়।

করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য মঙ্গলবার ৪ ট্রাক ওষুধ ও ইনজেকশন ভারতে পাঠানো হয়। এর আগে গত ৬ মে ১০ হাজার করোনা প্রতিষেধক ইনজেকশন ভারতকে উপহার দেয় বাংলাদেশ। ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা আবু তাহের জানান, প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের করোনা প্রতিরোধী ইনজেকশন, ক্যাপসুল, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ ১৮ ধরনের ওষুধ দ্বিতীয় চালানে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ রুখতে টিকাদান কর্মসূচিতে ভারত সাহায্য করেছে। ভারত থেকে আসা উপহার ও চুক্তি মাফিক চালানে টিকা দান শুরু হয়। এর মাঝে ভারতে করোনা সংক্রমণের বিরাট ধাক্কা শুরু হয়। দেখা দেয় অক্সিজেন ও টিকা সংকট। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পরবর্তী চালানের টিকা পাওয়ার আগেই প্রতিবেশি দেশে সংকট তীব্র হয়। ফলে বাংলাদেশ সরকার রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে টিকা চুক্তি করে। সেই টিকা প্রয়োগ করার কাজ চলছে।

ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে খবর, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ১২ হাজার ২১১ জন। মোট ৭ লক্ষ ৮২ হাজার ১২৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছেন ৭ লক্ষ ২৪ হাজার ২০৯ জন। তবে করোনার ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট মারাত্মক সংক্রামক। ভারত থেকে এই ধরণ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.