ঢাকা: অনুপ্রবেশ আটকাতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ। মায়ানমার থেকে যাতে আর কেউ না করতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিদেশমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বর্ডার মোটামুটি বন্ধ করে দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘যথেষ্ট লোকের জন্য বর্ডার খুলে দিয়েছি। এখন অন্য প্রতিবেশীদের বর্ডার খুললে ভালো হয়।’

মোমেন আরও বলেন,‘আমরা শুনছি,মায়ানমার ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষের কারণে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মালম্বী ও অন্যরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আমরা বলেছি,আমরা আর কাউকে নেবো না।’

মন্ত্রী বলেন,‘বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং এদের (রোহিঙ্গা) বেশিদিন রাখার ক্ষমতা আমাদের নেই।’ হতাশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন,‘আমরা মায়ানমারের কাছে আরও ভালো কিছু আশা করি।’

২০১৭ সালের অগস্টে মায়ানমারে সামরিক বাহিনী মুসলমান রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইনে গণহত্যা ও নির্যাতনের পর সেখান থেকে কমপক্ষে সাত লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে দেশটি থেকে আরও চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

রাষ্ট্রসংঘের সহযোগিতায় কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় তাদের জন্য শরণার্থী শিবির খোলা হয়েছে। তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে অব্যাহত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ অবস্থায় মিয়ানমার থেকে নতুন করে আর কাউকে আশ্রয় দিতে আগ্রহী নয় সরকার।