ঢাকাঃ  ফের বাংলাদেশে ধর্ষণের অভিযোগ। মাদ্রাসার ভিতরে আট ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ। গত এক বছর ধরে চলত নারকীয় এই ঘটনা। কিন্তু সম্প্রতি আরও এক ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করলে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনা জেলায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, বারবার বাংলাদেশের মাটিতে ধর্ষনের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে সেখানকার মহিলা সুরক্ষা।

জানা গিয়েছে গত এক বছর আগে শিক্ষক হিসাবে ওই মাদ্রসায় যোগ দেন অভিযুক্ত শিক্ষক। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম আবুল খায়ের বেলালি বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে, জেরার মুখে পড়ে অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষক। পুলিশ সূত্রে খবর, শিক্ষকতা করানোর সঙ্গে সঙ্গে একটি মসজিদের মৌলবীও সে।

গত এক বছর ধরে মাদ্রসার ভিতরে ধর্ষনের মতো অপরাধ দিনের পর দিন চালাতে থাকে। ৮ থেকে ১১ বছর বয়সি মোট আটটি ছাত্রীকে ধর্ষন করার মতো মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়া ৮ বছরের আরও এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সে। কিন্তু ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনতে পেয়ে বেলালিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয় মানুষ। চলে ব্যাপক মারধর। এরপর স্থানীয় মানুষই অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

প্রসঙ্গত গত কয়েক দিন আগেই এক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ ওঠে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলাদেশের দিকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মিজমিজি অক্সফোর্ড হাই স্কুলে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ র‍্যাব। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আরিফুল ইসলাম। তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়, ‘শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত অক্সফোর্ড স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং স্কুলের বাইরের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কৌশলে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে আমরা জেনেছি।

পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী তার যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আরিফুল ইসলামের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আর সেখানে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ছবি পাওয়া গিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

বারবার বাংলাদেশের মাটিতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটায় প্রকাশ্যে সেখানকার নারী নিরাপত্তা।