ঢাকা: ‘শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি কখনো উন্নত হতে পারে না। আমরা জাতিকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে চাই, দারিদ্রমুক্ত করতে চাই। আমি জানি, শিক্ষিত জাতি ছাড়া কখনো দারিদ্রমুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা শিক্ষাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি।’ বাংলাদেশের সাড়ে চার কোটি পড়ুয়ার জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে এমনই জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্তর ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও যথাসময়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দিচ্ছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অভিভাবক, তাদের (শিক্ষার্থীদের) ভার লাঘব করার জন্য আমরা বিনা পয়সায় বই বিতরণের কাজ শুরু করি ২০১০ সাল থেকে। সেসময় আসলেই এটা কঠিন কাজ ছিল। কিন্তু তারপরও আমরা এটা শুরু করে দিয়েছি।’’

‘‘সেই সঙ্গে আমাদের যে শিক্ষার্থীরা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, তাদের জন্য ব্রেইল বই, এ ছাড়া আমাদের যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আছে, যেমন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদ্রী তাদের ভাষায় আমরা বই বিতরণ করে যাচ্ছি, যাতে তারা মাতৃভাষায় শিক্ষা নিতে পারে।’

করোনাভাইরাসের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এবার সবচেয়ে সমস্যা ছিল করোনাভাইরাস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেরও একই অবস্থা। এ অবস্থার মধ্যেও পাঠ্যপুস্তক ছাপানো এবং বিতরণের ব্যবস্থা কর এটা একটা কঠিন কাজ। সেই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই, ধন্যবাদ জানাই যে এ কাজটা আপনারা করতে পেরেছেন।’

১ জানুয়ারি সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ শুরু হবে। করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পয়লা জানুয়ারি বই উৎসব না হলেও পড়ুয়ারা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। এবার ছাপা হচ্ছে প্রায় ৩৫ কোটি বই।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবার বইয়ের প্রচ্ছদে নতুনত্ব আনা হয়েছে। পাঠ্যপুস্তকের পেছনের (ব্যাক পেজ) মলাটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতার জন্য মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন সহ সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন স্থিরচিত্র রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।