ঢাকা:  ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। বিশ্বজুড়ে ছবিটা একই। কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন নিয়ে আশা দেখালেও তেমন ভাবে এখনও আশার আলো দেখাতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কার কথা শোনালেন শেখ হাসিনা। তাঁর আশঙ্কা, করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ আঘাত হানতে পারে।

এই বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আজ দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই বৈঠকেই আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের ত্যাগী নেতাদের নতুন কমিটিতে জায়গা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, সভায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনও পর্যন্ত সরকার ও আওয়ামী লীগের নেওয়া পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। করোনা পরিস্থিতির আবার অবনতি হতে পারে এবং করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী শঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতারা করোনা পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য দলের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এগিয়ে আসা এবং মানুষের পাশে থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় করোনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, করোনা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হতে পারে।, দ্বিতীয় দফায় আবার বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। ইউরোপের কোনও কোনও দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ শুরু হয়েছে৷

এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রস্তুত থাকতে হবে যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে দলের নেতাকর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেছেন, আগামীতেও যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেভাবেই মানুষের পাশে থাকতে হবে।

দলের নেতারাও করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। তাঁর এই আশঙ্কা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যে একাধিক দেশে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। যেমন ইজরায়েলে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ।

এই পরিস্থিতিতে সে দেশে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এই অবস্থায় সতর্ক থাকাটা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহালমহল।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।