ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় ১৯৭১ সালের পাক সেনার নৃশংসতম গণহত্যার প্রসঙ্গ তুলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪৯ তম বিজয় দিবসের আগেই তিনি পাক সরকারের কাছে এই বার্তা পাঠালেন ফের।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তান যে নৃশংসতা চালিয়েছিল তা ভুলে যেতে পারে না বাংলাদেশ। একাত্তরের ঘটনাগুলো ভোলা যায় না। সেই ক্ষত চিরদিন রয়ে যাবে।’

ঢাকার পাক হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে তিনি একথা বলেন।

সাক্ষাতের সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন সম্পর্কে জানতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে ফরেন অফিস কনসুলেশন সক্রিয় করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা চান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাওয়ায় এখানে কোনও বাধা নেই।

হাই কমিশনার ইমরান আহমেদ বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে কোনও রকম প্রতিবন্ধকতা ছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’-এর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিশ্বাস করেন।

বিশ্ব অঙ্গনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন পাকিস্তানি হাই কমিশনার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে দায়িত্ব পালনকালে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছে দেন। শেখ হাসিনাও হাই কমিশনারের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে শুভেচ্ছা জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।