ঢাকা: যতই গণনা হচ্ছে চমকে যাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তারা। মসজিদের সিন্দুক যেন কুবেরের রত্নভাণ্ডার। রাশি রাশি বিদেশি টাকা ও স্বর্ণালংকার রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মাঝে এমন বিপুল দান দেখে সরকারি কর্মীদের চোখ কপালে। আর মসজিদের বাইরে উৎসুক জনতার ভিড়। ঘটনাস্থল ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ।

এই মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক থেকে দান হিসেবে জমা পড়া অর্থ গণনার কাজ শুরু হয়। অতিরিক্ত জেলাশাসক গোলাম মোস্তাফা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা গণনা হয়েছে। তবে টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে। তিনি জানান, সিন্দুকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা।

এই মসজিদের দান সিন্দুক সর্বশেষ খোলা হয়েছিল গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। করোনার কারণে এবার ৬ মাস ৭ দিন পর খোলা হয়েছে সিন্দুক। সিন্দুকগুলিতে ১২ বস্তা টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণাংকার ও বিদেশি মুদ্রা মিলেছে।

জেলাশাসক গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে সবকিছু খতিয়ে দেখেন। এর আগে সর্বশেষ ১৫ ফেব্রুয়ারি দান সিন্দুক ১ কোটি ৫০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা পাওয়া যায়।

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, টাকা গণনার কাণ্ড দেখতে বহু মানুষ মসজিদে ভিড় করেছেন। সাধারণত তিন মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় পর পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়। পাগলা মসজিদ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।

জনশ্রুতি অনুসারে, বারোভূঁইয়ার অন্যতম শক্তিশালী শাসক ঈশা খাঁর আমলে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। ইশা খাঁর দেওয়ান জিলকদর খান নদীর তীরে নামাজ পড়তেন। তিনি পাগলা নামে সুপরিচিত ছিলেন। পরে মসজিদ তৈরি হলে সেটি পাগলা মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।

অপর একটি জনশ্রুতি অনুসারে, তৎকালীন কিশোরগঞ্জের এক জমিদার পরিবারের পাগলা বিবির নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছিল। টেরাকোটার শিল্পে এই মসজিদ অলঙ্করণ করা হয়। পুরাতাত্ত্বিক নির্মাণ হিসেবে এটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।