ঢাকা:  করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেশবাসীকে বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাসিনা সরকার। এছাড়া দোকানপাট ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়েছে। সোমবার এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে বাংলাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। তবে ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, জরুরি পরিষেবা, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি কাজে বাইরে বের হওয়া যাবে বলে নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে যে, বাড়ির বাইরে গেলে মাস্ক পরিধান ও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া হাটবাজার, দোকানপাট, শপিংমলে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোভাবে প্রতিপালন করতে হবে। আদেশে সরকার আরও বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে।

সেগুলো হল- • আগামী ৪ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি এই নিয়ন্ত্রণের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

• হাটবাজার, দোকানপাট, শপিংমলে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। শপিংমলের প্রবেশপথে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজার রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনকে অবশ্যই জীবণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। পণ্য ও খাদ্য ক্রয়ে জনগণকে ই-কমার্স সাইট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।

• সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ, অসুস্থ কর্মচারী ও সন্তানসম্ভবা মহিলারা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

• গণপরিবহনসহ সব ধরনের যানবাহন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে হবে। • এ সময়ে সব সভা-সমাবেশ, জমায়েত ও অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ভার্চুয়াল উপস্থিতি অনুষ্ঠান আয়োজনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে মসজিদে জামাত ও অন্যান্য উপাসনালয়সমূহে প্রার্থনা পরিচালনা করা হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা